জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভার ইফতারি বিতরণ: সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে শিক্ষার্থীদের মানবিক উদ্যোগ
জবি বন্ধুসভার ইফতারি বিতরণ: সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভার ইফতারি বিতরণ: সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে শিক্ষার্থীদের মানবিক উদ্যোগ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভার উদ্যোগে রমজান মাসে সমাজের পিছিয়ে পড়া শিশু ও নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে ইফতারি বিতরণ করা হয়েছে। এই মানবিক কার্যক্রমটি ২৫ ফেব্রুয়ারি বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়–সংলগ্ন বাহাদুর শাহ পার্ক, লক্ষ্মীবাজার ও আশপাশের এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়। বন্ধুসভার সদস্যরা সরাসরি অংশগ্রহণ করে ইফতারির প্যাকেট বিতরণ করেন, যা স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

শিক্ষার্থীদের নৈতিক দায়িত্ব ও সামাজিক ভূমিকা

বন্ধুসভার সদস্যরা তাদের এই উদ্যোগ সম্পর্কে বলেন, 'রমজান হলো সহমর্মিতা ও ত্যাগের মাস। সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।' তারা আরও উল্লেখ করেন যে, ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের সমাজসেবামূলক ভূমিকা তুলে ধরে। এই কার্যক্রম শুধুমাত্র ইফতারি বিতরণই নয়, বরং এটি সম্প্রীতি ও একাত্মতার বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছে।

কার্যক্রমে উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় প্রতিক্রিয়া

এই ইফতারি বিতরণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভার উপদেষ্টা এস এম শাহাদাত হোসেন, সভাপতি নুসরাত জাহান, সাধারণ সম্পাদক তারেক হাসান, সহসভাপতি নাহিন জামান সিদ্দিকী, প্রচার সম্পাদক মোসা. হ্যাপী এবং সাংস্কৃতিক সম্পাদক তাজিন হাসান। তাদের নেতৃত্বে এই উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়।

স্থানীয় মানুষ ও শিশুদের মধ্যে এই ইফতারি বিতরণ ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। অনেকেই শিক্ষার্থীদের এই মানবিক প্রচেষ্টার জন্য ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে নিয়মিতভাবে এমন উদ্যোগ আয়োজনের আহ্বান জানান। এই কার্যক্রমটি সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শ্রেণির প্রতি সহানুভূতি ও সহযোগিতার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও সামাজিক প্রভাব

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভা তাদের সামাজিক দায়বদ্ধতা পালনে অঙ্গীকারবদ্ধ। তারা ইফতারি বিতরণের মাধ্যমে শুধু খাদ্যই নয়, বরং আশা ও ভালোবাসার বার্তা পৌঁছে দিয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সমাজের উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে, যা তরুণ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক। ভবিষ্যতে অন্যান্য সামাজিক কার্যক্রম যেমন শিক্ষা সহায়তা, স্বাস্থ্য সেবা প্রদান ইত্যাদি চালু করারও পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।