পেকুয়া উপজেলার তোয়াইটং ইউনিয়নের কর্ণচরি খালের উপর নির্মিত একটি কালভার্ট টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে ধসে পড়েছে। এতে প্রায় ৪ হাজার বাসিন্দা সড়ক যোগাযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন।
কীভাবে ঘটলো দুর্ঘটনা?
গত ৯ জুলাই রাতে পাহাড়ি ঢলের স্রোতে কালভার্টটির ভিত্তি ক্ষয় হয়ে যায় এবং এটি ধসে পড়ে। স্থানীয়রা এখন ঝুঁকি নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত কাঠামোর উপর দিয়ে পায়ে হেঁটে চলাচল করছেন।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনে দেখা গেছে, কালভার্টের দুই পাশের অ্যাপ্রোচ রড সম্পূর্ণভাবে ভেসে গেছে এবং ধসে পড়া অংশের আশেপাশে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। কংক্রিটের স্ল্যাবটি এখনও দুইটি পিলারের উপর ঝুঁকে রয়েছে এবং যেকোনো সময় পুরোপুরি ধসে পড়তে পারে।
জনজীবনে প্রভাব
বাসিন্দারা জানান, এই সড়কটি একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ইউনিয়ন পরিষদ, বনকানন বাজার এবং আশেপাশের গ্রামের সাথে যোগাযোগের একমাত্র পথ। কালভার্ট ধসে পড়ায় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে, যা শিক্ষা, ব্যবসা ও পরিবহনকে ব্যাহত করছে। জরুরি অবস্থায় রোগীদের হাসপাতালে নেওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে।
অটোরিকশা চালক আব্দু শুক্কুর বলেন, ‘পরিবহন সেবা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে, ফলে আমাদের আয় বন্ধ হয়ে গেছে।’ ব্যবসায়ী ছবের আহমেদ বলেন, ‘এই disruption স্থানীয় বাণিজ্যেও প্রভাব ফেলেছে।’
স্থানীয় প্রতিনিধির বক্তব্য
ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আব্দুল খালেক বলেন, ‘বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তিনি দ্রুত একটি অস্থায়ী ক্রসিংয়ের ব্যবস্থা এবং স্থায়ী কালভার্ট নির্মাণের আহ্বান জানান।’
বাসিন্দাদের দাবি
স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষতিগ্রস্ত কাঠামোটি দ্রুত অপসারণ, টেকসই নতুন কালভার্ট নির্মাণ এবং বর্ষা মৌসুমে দুর্ঘটনা এড়াতে বিকল্প পথের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন।



