কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে আধিপত্য নিয়ে সংঘর্ষে ৩০ জন আহত, দুইজন ঢাকায় চিকিৎসাধীন
মিঠামইনে সংঘর্ষে ৩০ আহত, দুইজন ঢাকায় চিকিৎসাধীন

কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে আধিপত্য নিয়ে সংঘর্ষে ৩০ জন আহত

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। আজ সোমবার সকালে উপজেলার হেমন্তগঞ্জ গ্রামে কেওয়ারজোড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাশেম পক্ষ ও একই গ্রামের মো. নজির পক্ষের মধ্যে ঘণ্টাব্যাপী এই সংঘর্ষ সংঘটিত হয়।

আহতদের অবস্থা ও চিকিৎসা

নজির পক্ষের আহতদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় থাকা আসাদ মিয়া (৩৫) ও কাতল মিয়াকে (৩০) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া উভয় পক্ষের গুরুতর আহত পাঁচজনকে কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। বাকি আহতদের মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

সংঘর্ষের পটভূমি ও ঘটনার বিবরণ

এলাকার কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঈদের আগে থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। আজ সকালে হেমন্তগঞ্জের লাউকুড়ার মাঠে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের সময় উভয় পক্ষের লোকজন লাঠিসোটা ও অন্যান্য অস্ত্র ব্যবহার করে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এ বিষয়ে কথা বলতে কাশেম ও নজিরের মুঠোফোনে চেষ্টা করলেও তাঁদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এ কারণে এ বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

পুলিশের বক্তব্য ও পরিস্থিতি

মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লিয়াকত আলী বলেন, "আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। কাটখাল পুলিশ ফাঁড়ি ও মিঠামইন থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এ ঘটনায় থানায় এখনো কেউ অভিযোগ দেয়নি, তবে পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সতর্ক রয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় এলাকায় এখন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে বলে জানানো হয়েছে। তবে উত্তেজনার কারণ ও দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের জন্য আরও তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।