ভোলার দৌলতখানে পড়াশোনায় বাধা দেওয়ার অভিযোগে অভিমানে রিজবী আক্তার (২১) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন। খবর পেয়ে দৌলতখান থানা পুলিশ তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
ঘটনার বিবরণ
সোমবার (৮ জুন) বিকাল ৩টার দিকে উপজেলার চরপাতা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের মাতাব্বর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রিজবী আক্তার ওই এলাকার সৌদি প্রবাসী সুমনের স্ত্রী এবং চরখলিফা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সালাউদ্দিনের মেয়ে।
পড়াশোনার ইতিহাস ও পারিবারিক চাপ
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রিজবী আক্তার ভোলা সরকারি কলেজে অনার্সে অধ্যয়নরত ছিলেন। প্রায় দেড় বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের পর পারিবারিকভাবে চরপাতা ইউনিয়নের প্রবাসী জাহাঙ্গীরের ছেলে সুমনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, স্বামী বিদেশে থাকার সুযোগে শ্বাশুড়ি দীর্ঘদিন ধরে রিজবীকে কলেজে পড়াশোনা করতে বাধা দিতেন। এ নিয়ে পারিবারিকভাবে বিভিন্ন ধরনের চাপ ও মানসিক অশান্তির মধ্যে ছিলেন তিনি। ঘটনার দিনও একই বিষয় নিয়ে চাপ প্রয়োগ করা হলে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মায়ের আহাজারি ও পুলিশি ব্যবস্থা
ঘটনার পর রিজবীর মা দৌলতখান থানায় এসে মেয়ের মৃত্যুর বিচার দাবি করে আহাজারি করেন। দৌলতখান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বিপুল চন্দ্র জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে পড়াশোনা নিয়ে পারিবারিক বিরোধ ও মানসিক কষ্টের কারণে রিজবী আক্তার আত্মহত্যা করেছেন। লাশ উদ্ধার করে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।



