বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের প্রভাবের কারণে দ্বীপ জেলা ভোলায় বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করছে। মেঘনা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল থেকে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন অবস্থায় থেমে থেমে হালকা থেকে ভারি বৃষ্টি হচ্ছে।
সতর্কতা সংকেত ও নৌ চলাচল বন্ধ
সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর ও নৌবন্দরে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত জারি করায় ভোলা-মনপুরা-হাকিমুদ্দনসহ ৫টি নৌ রুটে যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। বিআইডব্লিউটিএর ভোলা নদী বন্দরের সহকারী পরিচালক নির্মল কুমার রায় বাসসকে জানিয়েছেন, সমুদ্রে ৩ নম্বর ও নৌবন্দরে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত জারি হওয়ায় ভোলা জেলার মনপুরা-হাকিমুদ্দিনসহ অভ্যন্তরীণ ৫টি নৌ রুটে যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে ভোলার ইলিশা-লক্ষ্মীপুর-ঢাকা রুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
বৃষ্টিপাত ও নদীর পানি বৃদ্ধি
গত ২৪ ঘণ্টায় ভোলায় ৫৩.৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানান ভোলার আবহাওয়া অধিদপ্তরের পর্যবেক্ষক মো. মাহাবুবুর রহমান। অতি জোয়ার ও নদী উত্তাল থাকায় মেঘনা নদীতে জেলে নৌকার পাশাপাশি লঞ্চ চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন নদী এলাকার জেলেরা মাছ ধরা থেকে বিরত রয়েছেন। জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবি) প্রকৌশলী তত্ত্বাবধায়ক মো. হাসানুজ্জামান বাসসকে জানান, তাদের সর্বশেষ পর্যবেক্ষণে ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার মেঘনা নদীর পানি বিপৎসীমার ৭২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
বর্তমান অবস্থা
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিকেল সোয়া ৪টা নাগাদ জেলাব্যাপী ভারি ও মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত ও দমকা হাওয়া বইছিল। বৈরী আবহাওয়া ও নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে জনজীবন ব্যাহত হচ্ছে।



