সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও রাজবাড়ী সদর আসনের সংসদ সদস্য আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেছেন, খাল খনন প্রকল্প সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলোর একটি। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত এই উন্নয়ন কাজে কোনো অনিয়ম-দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না। কড়ায়-গণ্ডায় খাল খনন প্রকল্পের হিসাব নেওয়া হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য
রোববার বিকালে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ময়না ইউনিয়নে একটি খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে দুপুরে আলফাডাঙ্গা উপজেলার টগরবন্দ ইউনিয়নের মালা এলাকায় আরেকটি খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বোয়ালমারী খাল পুনঃখননে প্রায় ৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বর্তমানে উদ্বোধন করা সাড়ে ছয় কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের খালটির জন্য বরাদ্দ ২ কোটি ১৩ লাখ টাকা। এই প্রকল্পের আওতায় ৩৮০ জন শ্রমিক প্রতিদিন কাজ করার সুযোগ পাবেন। শ্রমিকদের বেতন সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে। এখানে কারো নয়ছয় করার সুযোগ নেই।
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা
এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, প্রকল্পের সমস্ত তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ করা হলো যাতে কেউ আপনাদের ফাঁকি দিতে না পারে। মানুষকে সচেতন করতে প্রকল্প এলাকায় দ্রুত বিস্তারিত তথ্যসহ সাইনবোর্ড টাঙানোর জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।
আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, কৃষিকে বাঁচাতে এবং বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় খাল খননের মাধ্যমে পানি সংরক্ষণ জরুরি। এই খালের মাধ্যমে বর্ষায় অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশন এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচ কাজ সহজ হবে। তবে প্রকল্পের দীর্ঘমেয়াদি সুফল পেতে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিতি
বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এসএম রকিবুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রফেসর মো. ইলিয়াস মোল্লা, সাবেক সংসদ সদস্য ও কৃষক দলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি খন্দকার নাসিরুল ইসলাম বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন।



