রংপুরের গঙ্গাচড়ায় বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত শিশু বন্ধন চন্দ্র সরকার (৭) মারা গেছে। এর আগে ওই দুর্ঘটনায় তার বাবা ও দাদা নিহত হন। এ নিয়ে এক পরিবারের তিনজনের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
দুর্ঘটনার বিবরণ
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে গঙ্গাচড়া-বড়াইবাড়ি সড়কের বড়বিল মন্থনা পাটকলের সামনে ওই দুর্ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় বন্ধনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে হাসপাতালের এনআইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত ব্যক্তিরা
দুর্ঘটনায় নিহত আরও দুজন হলেন গঙ্গাচড়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের চ্যাংমারি পশ্চিম মান্দ্রাইন এলাকার পল্লিচিকিৎসক নির্মল চন্দ্র সরকার (৬০) ও তাঁর ছেলে প্রশান্ত চন্দ্র সরকার (৪০)।
পুলিশ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার দিকে নির্মল চন্দ্র সরকার তাঁর ছেলে প্রশান্ত চন্দ্র সরকার ও নাতি বন্ধনকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে বড়াইবাড়ি এলাকায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন। পথে বড়বিল মন্থনা পাটকলের সামনে একটি ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই নির্মল ও তাঁর ছেলে প্রশান্তের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় শিশু বন্ধনকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তার মৃত্যু হয়।
পুলিশের বক্তব্য
গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুস ছবুর বলেন, 'দুর্ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ট্রাকটি জব্দ করেছে। তবে চালক পালিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।'



