সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতে কাঠ সংগ্রহ করতে গিয়ে এক বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় ভারতের ভেতরে পাহাড়ি ছড়ার পানিতে পাথরের ফাঁকে তাঁর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্বজনেরা।
নিহতের পরিচয় ও ঘটনার বিবরণ
নিহত নিখ খন্দজানি (৫৫) কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার তুরং গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম সুপ্রিয়া খন্দজানি। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সীমান্তের জিরো পয়েন্টসংলগ্ন এলাকায় বসবাসের কারণে নিখ খন্দজানি প্রায়ই ভারতের ভেতরে গিয়ে কাঠ সংগ্রহ করতেন এবং খাসিয়াদের বাগানে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। গতকাল দুপুরে তিনি কাঠ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে যান। সন্ধ্যা পর্যন্ত বাড়িতে ফিরে না আসায় তাঁর ভাই নিখিল খন্দজানি খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
মরদেহ উদ্ধার ও তদন্ত
একপর্যায়ে সীমান্তের ১২৬০ নম্বর পিলারসংলগ্ন তুরুং পাহাড়ি ছড়ার পানিতে পাথরের ফাঁকে নিখ খন্দজানির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে খবর পেয়ে স্বজনেরা বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে জানান। বিষয়টি নিশ্চিত করে বিজিবির ৪৮ সিলেট ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হক বলেন, বিএসএফ বা ভারতীয় খাসিয়াদের গুলির কোনো ঘটনা ঘটেনি। নিহত ব্যক্তি প্রায়ই ভারতের ভেতরে বাগানে কাজ করতে যেতেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ
খবর পেয়ে পুলিশ গতকাল গভীর রাতে নিহত নিখ খন্দজানির বাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে বলে জানান কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, আজ বৃহস্পতিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।



