সিলেটের ওসমানী বিমানবন্দরে অগ্নিকাণ্ড: ইমিগ্রেশন ম্যানুয়ালি চলছে
সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রোববার রাতে আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় বিমানবন্দরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং ইমিগ্রেশন সার্ভার রুম পুড়ে যাওয়ায় বর্তমানে ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া ম্যানুয়ালি পরিচালিত হচ্ছে। সোমবার পর্যন্ত আগুনের সঠিক কারণ উদঘাটন করা সম্ভব হয়নি, তবে প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটকে দায়ী করা হচ্ছে।
অগ্নিকাণ্ডের বিবরণ ও ক্ষয়ক্ষতি
রোববার রাত ১১টার পর বিমানবন্দরের সার্ভার রুমের দুতলায় হঠাৎ আগুন লাগে। আর্মড পুলিশ ব্যাটেলিয়ন (এপিবিএন) সিলেটের অধিনায়ক ও এডিশনাল ডিআইজি এআরএম আরিফ জানান, "এখনও অগ্নিকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। তবে আমাদের ধারণা বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগতে পারে।" অগ্নিকাণ্ডে ইমিগ্রেশন সার্ভার রুমের এসি, ফ্রিজসহ সব আসবাবপত্র পুড়ে গেছে, তবে বড় ধরনের ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
সিলেট ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার কুতুবউদ্দিনের মতে, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পূর্ণ নির্ধারণ করা না গেলেও প্রাথমিকভাবে প্রায় ১ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে, যা বড় ধরনের বিপর্যয় রোধ করেছে।
ফ্লাইট ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা
ওসমানী বিমানবন্দরের পরিচালক হাফিজ আহমদ বলেন, "বিমানবন্দরের সব ফ্লাইট শেষ হওয়ার পরই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ফলে এতে ফ্লাইটে কোনো ব্যাঘাত হয়নি।" তবে, এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেই জানতে চাইছেন কিভাবে এমন অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল এবং ভবিষ্যতে প্রতিরোধের জন্য কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বর্তমানে, ইমিগ্রেশন সার্ভার রুমের ক্ষতির কারণে বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া ম্যানুয়ালি পরিচালিত হচ্ছে, যা যাত্রীদের জন্য কিছুটা অসুবিধা সৃষ্টি করতে পারে। কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।



