প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফরের আমন্ত্রণ এসেছিল ভারত থেকে। গত ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের পরপরই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁকে দিল্লি সফরের আমন্ত্রণ জানিয়ে চিঠি পাঠান। আমন্ত্রণ ছিল মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের পক্ষ থেকেও। এরপরে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়েরও আমন্ত্রণপত্র আসে বেইজিং সফরের জন্য। শেষ পর্যন্ত ভারত বা চীন নয়, সরকারপ্রধান হিসেবে নিজের প্রথম বিদেশ সফরের জন্য মালয়েশিয়াকে বেছে নিয়েছেন তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষ করে ভারত ও চীনের মতো দুই বড় প্রতিবেশী দেশের আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করে মালয়েশিয়াকে অগ্রাধিকার দেওয়ায় নতুন দিল্লি ও বেইজিংয়ের কূটনৈতিক মহলে নানামুখী আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে সরকারি সূত্রে জানা গেছে, মালয়েশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের ভিত্তিতেই এই সফর নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফরে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও শ্রমবাজার সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। মালয়েশিয়ায় বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি শ্রমিক কর্মরত রয়েছেন, তাই তাদের কল্যাণ ও অধিকার সুরক্ষার বিষয়টিও আলোচনায় গুরুত্ব পাবে। এছাড়া রোহিঙ্গা সংকট ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়েও দুই নেতার মধ্যে মতবিনিময় হতে পারে।
সফরের সঠিক তারিখ এখনও চূড়ান্ত না হলেও চলতি মাসের শেষ দিকে এটি অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফর বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন কূটনীতিকরা।



