মিয়ানমারে ডিজেল পাচার: কোস্টগার্ডের অভিযানে ১২ পাচারকারী আটক
মিয়ানমারে ডিজেল পাচার: কোস্টগার্ডের অভিযানে ১২ আটক

মিয়ানমারে ডিজেল পাচার: কোস্টগার্ডের অভিযানে ১২ পাচারকারী আটক

মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশে ছয় হাজার লিটার ডিজেলসহ ১২ পাচারকারীকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকালে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আটককৃতদের মধ্যে আট জনই রোহিঙ্গা নাগরিক, বাকি চার জন বাংলাদেশি নাগরিক।

আটককৃতদের পরিচয়

আটককৃত চার বাংলাদেশি নাগরিক হলেন:

  • চট্টগ্রামের বাকলিয়া থানার চর চকতাই এলাকার মো. ফজলুল করিমের ছেলে আব্দুল মান্নান
  • কক্সবাজারের রামু থানার হিমছড়ি ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মো. ইসলামের ছেলে মো. সাকিব
  • টেকনাফ থানার শাহপরীর দ্বীপের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রাহমতুল্লাহর ছেলে মো. সাকের
  • উখিয়া থানার টেংহালি ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মো. হাসিমের ছেলে সৈয়দ আলম

আট রোহিঙ্গা নাগরিক হলেন:

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • কক্সবাজার ১৫ নম্বর ক্যাম্পের জামতলি গ্রামের আবু তালেবের ছেলে আবু তাহের
  • একই এলাকার আব্দুল বাহবুবের ছেলে সৈয়দ হোসেন
  • আব্দুল জাব্বারের ছেলে এনামুল হাসান
  • আনু মিয়ার ছেলে হামিদুল হক
  • ফখরুদ্দিনের ছেলে মো. সাকের
  • দিল মোহাম্মদের ছেলে মো. আয়াস
  • কালুমিয়ার ছেলে মোহাম্মদ ফারুক
  • আনসুল হোসেনের ছেলে মো. পরান

অভিযানের বিস্তারিত

লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার সকালে পতেঙ্গা থানার বহিনোর্ঙর এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় ওই এলাকায় সন্দেহজনক একটি বোটে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশির সময় মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশে বহন করা প্রায় ৬ লাখ ২৪ হাজার টাকা মূল্যের ছয় হাজার লিটার ডিজেল, ছয়টি গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার, নগদ ১৫ হাজার ৮৯৬ টাকা ও পাচারকাজে ব্যবহৃত বোটসহ চার জন বাংলাদেশি ও আট জন রোহিঙ্গা পাচারকারীকে আটক করা হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আইনি পদক্ষেপ

জব্দকৃত ডিজেল, গ্যাস সিলিন্ডার, পাচারকাজে ব্যবহৃত বোট ও পাচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন আছে। কোস্টগার্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এই ধরনের অপকর্ম রোধে নিয়মিত অভিযান চালানো হবে।

এই ঘটনা বাংলাদেশের সীমান্ত নিরাপত্তা ও পাচার রোধে কোস্টগার্ডের সক্রিয় ভূমিকার একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, মিয়ানমারে জ্বালানি পাচার একটি সংগঠিত অপরাধ হিসেবে দেখা দিচ্ছে, যা অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করছে।