চুয়াডাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক পরিবারের তিনজন নিহত, বাবা-ছেলে-নাতনি শিকার
চুয়াডাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত, বাবা-ছেলে-নাতনি

চুয়াডাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক পরিবারের তিনজন নিহত, বাবা-ছেলে-নাতনি শিকার

চুয়াডাঙ্গায় আত্মীয়ের বাড়ি থেকে ফেরার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় এক পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছেন। তারা সম্পর্কে বাবা, ছেলে ও নাতনি। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন প্রাইভেটকারে থাকা ওই পরিবারের আরও তিনজন। সোমবার (২৩ মার্চ) রাতে যশোর-মাগুরা মহাসড়কের গাইদঘাট নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের বাড়ি যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ফাতেহাবাদ গ্রামে। বারোবাজার হাইওয়ে থানার ওসি আলমগীর কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নিহত ও আহতদের পরিচয়

নিহতরা হলেন— যশোরের বাজারের ইন্টারনেট ব্যবসায়ী মাহমুদ হাসান জাকারিয়া জনি (৪৩), তার বাবা মনিরামপুর পল্লি বিদ্যুৎ সমিতি-২ সাবেক পরিচালক আব্দুল মজিদ সরদার (৭৫) ও জনির চার বছরের মেয়ে শেহেরিশ। আহতরা হলেন- জনির মা মনোয়ারা বেগম (৬০), স্ত্রী সাবরিনা জাহান (৩০) ও ছেলে সামিন আল মাস (১০)। আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

দুর্ঘটনার বিবরণ

ওসি আলমগীর বলেন, চুয়াডাঙ্গায় আত্মীয় বাড়ি থেকে প্রাইভেটকার যোগে যশোরের মণিরামপুরে নিজ বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় চালক জনি ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। গাড়িটি যশোর-মাগুরা সড়কের গাইদঘাট নামক স্থানে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার বিপরীত পাশে বটগাছের সাথে ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলে গাড়িটিতে থাকা চালক জনি ও তার বাবা আব্দুল মজিদ মারা যান।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ওসি আরও বলেন, গাড়ির ভিতরে থাকা চারজনকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে শিশু শেহেরিশের মৃত্যু হয়। আহত তিন জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত জনির আইটি ফার্মের এক্সপার্ট রিয়াদ হোসেন জানান, রাতে সব আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে নিহতদের মরদেহ বাড়িতে আনা হয়েছে। তাদের দাফন কার্য প্রক্রিয়াধীন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দুর্ঘটনার প্রভাব ও পরবর্তী অবস্থা

এই দুর্ঘটনা স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, যেখানে একটি পরিবারের তিন প্রজন্ম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির দাবি উঠেছে। আহতদের অবস্থা গুরুতর থাকায় তাদের ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে, যা উন্নত চিকিৎসার সুযোগ দিতে পারে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে এবং আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।