টেকনাফ সীমান্তে আবারও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ, ১০ সদস্যের পরিবার ক্যাম্পে আশ্রয়
টেকনাফ সীমান্তে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ, ১০ সদস্যের পরিবার ক্যাম্পে

টেকনাফ সীমান্তে আবারও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ, ১০ সদস্যের পরিবার ক্যাম্পে আশ্রয়

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার শাহপরীর দ্বীপ সীমান্ত দিয়ে আবারও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেছে। নারী-পুরুষ ও শিশুসহ একই পরিবারের ১০ সদস্য সীমান্ত পেরিয়ে বর্তমানে উখিয়ার জামতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৫-এ আশ্রয় নিয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

দালালচক্রের সহায়তায় অনুপ্রবেশ

সোমবার (২৩ মার্চ) ভোর সাড়ে ৭টার দিকে মিয়ানমারের মংডু টাউনশিপ থেকে দালালচক্রের সহায়তায় তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে। পরে উখিয়ার ক্যাম্পে অবস্থানরত এক আত্মীয়ের শেল্টারে আশ্রয় নেয় তারা। অনুপ্রবেশকারীদের মধ্যে অধিকাংশই শিশু হওয়ায় বিষয়টি আরও উদ্বেগজনক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

অনুপ্রবেশকারীদের পরিচয়

তাদের মধ্যে রয়েছে—ছমুদা (১৮), সাবেকুন্নাহার (১৫), মো. সলিম (১৩), জবিউল্লাহ (১২), মো. আনোস (১১), জিয়াবুর রহমান (১০), শায়েকা (৮), উম্মে হাবিবা (৭), মো. ইসমাইল (৬) ও রেহেনা (৫)। তাদের পিতা মো. হারুন। এদিকে আশ্রয়দাতা হিসেবে ক্যাম্প-১৫-এর বাসিন্দা মো. আয়ুবকে শনাক্ত করা হয়েছে। তার শেল্টার নম্বর ১৬, এফসিএন নম্বর ২২৮৭১০ এবং সাব-ব্লক ই-১।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

স্থানীয়দের উদ্বেগ ও নিরাপত্তা ঝুঁকি

স্থানীয়রা জানান, সীমান্ত এলাকায় দালালচক্র সক্রিয় থাকায় নতুন করে অনুপ্রবেশের ঝুঁকি বাড়ছে। এতে সীমান্ত নিরাপত্তা ও সামাজিক চাপ দুটোই বৃদ্ধি পাচ্ছে। উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তার কাছে কোনো তথ্য নেই, তবে খোঁজ নিয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

ক্যাম্প কর্মকর্তার বক্তব্য

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দায়িত্বরত এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা একটি পরিবার বর্তমানে জামতলী ক্যাম্পে আত্মীয়ের কাছে আশ্রয় নিয়েছে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশে বর্তমানে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা আশ্রিত রয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া ও জটিলতা

প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি না হওয়ায় নতুন করে অনুপ্রবেশ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।