কুমিল্লা নগরীর দক্ষিণ চর্থা এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুটি গ্রুপের মধ্যে টানা তিনদিন ধরে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) থেকে শুরু হয়ে রোববার (২৬ এপ্রিল) পর্যন্ত এই সংঘর্ষ চলে।
সংঘর্ষের সূত্রপাত
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নগরীর দক্ষিণ চর্থার থিরাপুকুর পাড় ও জিনাপুকুর পাড় এলাকার যুবকদের মধ্যে কথা কাটাকাটি থেকে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পরবর্তীতে তা বড় আকার ধারণ করলে স্থানীয় বাসিন্দারাও এতে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তারা জিনাপুকুর পাড়ের ‘নয়ন গ্রুপ’ ও থিরাপুকুর পাড়ের ‘স্বপন গ্রুপ’-এ বিভক্ত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
আতঙ্ক ও ক্ষয়ক্ষতি
টানা তিনদিন ধরে চলা এই সংঘর্ষে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বেশ কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর করা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, হেলমেট পরা একদল তরুণ ও যুবক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রতিপক্ষকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করছেন। ভিডিওতে একজনকে গুলি ছুড়তেও দেখা গেছে। ইট-পাটকেলের আঘাতে বিভিন্ন বাসাবাড়ি ও দোকানের জানালার কাঁচ ভেঙে পড়ার শব্দে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
পুলিশের পদক্ষেপ
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি তহিদুল আনোয়ার বলেন, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুটি গ্রুপ থেমে থেমে সংঘর্ষ করছে। আমরা তাদের থামানো এবং সহিংসতায় জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছি। ইতোমধ্যে এক পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।



