কেএমপির অতিরিক্ত কমিশনার রাশিদুল ইসলাম প্রত্যাহার
কেএমপির অতিরিক্ত কমিশনার রাশিদুল ইসলাম প্রত্যাহার

খুলনা মহানগর পুলিশের (কেএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বিতর্কিত এক বক্তব্যের জেরে তাঁকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে সরিয়ে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। রোববার (২১ জুন) এর মধ্যে তাঁকে পুলিশ সদর দপ্তরে ‘রিপোর্ট’ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রত্যাহারের নির্দেশ

গত শনিবার পুলিশ সদর দপ্তরের পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট-১ শাখা থেকে জারি করা এক চিঠিতে এই নির্দেশ দেওয়া হয়। চিঠিতে অতিরিক্ত ডিআইজি (সংস্থাপন) রায়হান উদ্দিন খানের স্বাক্ষর রয়েছে। চিঠিতে রাশিদুল ইসলামকে অবিলম্বে পুলিশ সদর দপ্তরে রিপোর্ট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিতর্কের সূত্রপাত

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি দায়িত্ব পালনকালে রাশিদুল ইসলামের দেওয়া একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। তাঁর বক্তব্যকে ‘বেফাঁস’ হিসেবে দেখছেন বাহিনীর কর্মকর্তারা। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে খুলনা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিতর্কিত বক্তব্য

রাশিদুল ইসলামের বিতর্কিত বক্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তাঁকে বলতে শোনা যায়, অপরাধীদের বিষয়ে কোনো তথ্য জনগণ পুলিশকে দেওয়ার পর তা যদি ফাঁস হয়, তাহলে তিনি কথা দিচ্ছেন, সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যকে ঝুলিয়ে দেবেন। আর জনগণ তাঁকে পিটিয়ে মারবে।

ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিভিন্ন মহলে প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এর মধ্যেই রাশিদুল ইসলামকে তাঁর বর্তমান কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ জারি হলো।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ