জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, গুম ও অপহরণ নিয়ে ‘নাটক সাজানো’ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা চালানোর অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে। আজ রোববার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঁঠালতলা থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন অনুষদের মাঠ প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটকের সামনে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
বক্তাদের বক্তব্য
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, ছাত্রশিবির গুম ও অপহরণের মতো স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের প্রতি অবমাননা করছে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংঘবদ্ধভাবে সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা চালানো হচ্ছে বলেও তাঁরা দাবি করেন। এসব কর্মকাণ্ড বন্ধে সরকারের প্রতি কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান নেতারা।
মেহেদী হাসান হিমেলের বক্তব্য
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, ‘গুম, অপহরণ কিংবা নারী নির্যাতনের মতো সংবেদনশীল বিষয়কে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। যারা এসব ঘটনার নাটক সাজিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে, তাদের মুখোশ উন্মোচন করতে হবে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সন্ত্রাস, অপপ্রচার ও গোপন রাজনৈতিক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে সব সময় সোচ্চার থাকব।’
মেহেদী হাসান আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা রোধে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। একই সঙ্গে তাঁরা যেকোনো ধরনের সহিংসতা, নারী নির্যাতন ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
শামসুল আরেফিনের বক্তব্য
শাখা ছাত্রদলের সদস্যসচিব শামসুল আরেফিন বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে রাষ্ট্র ও সরকারের বিরুদ্ধে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা চলছে। আমরা এ ধরনের অপতৎপরতার তীব্র নিন্দা জানাই। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত এসব বিষয়ে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া।’
অন্যান্য নেতাকর্মীরা
বিক্ষোভ মিছিলে শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাফর আহমেদ, সুমন সরদার, মোস্তাফিজুর রহমান, শাহরিয়ার হোসেন, মাহমুদুল হাসান, রফিকুল ইসলাম, রবিউল আউয়ালসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা–কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।



