শিশু ধর্ষণের অভিযোগে প্রত্যাহার পুলিশ পরিদর্শক খোরশেদ আলম
শিশু ধর্ষণ মামলায় পুলিশ পরিদর্শক খোরশেদ আলম প্রত্যাহার

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (আইসি) পরিদর্শক খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকির মুখে ভুক্তভোগী পরিবারটি গত চার মাস ধরে নিজেদের বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে বেড়াচ্ছে।

সম্প্রতি শিশুটি ও তার মায়ের একটি বিবরণী ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তাকে তদন্ত কেন্দ্র থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) হাতিয়া থানার ওসি মো. কবির হোসেন প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ঘটনার বিবরণ

জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুর মা ও ভাই ওই তদন্ত কেন্দ্রের মেসে রান্নাবান্নার কাজ করার সুবাদে কিশোরীও সেখানে মাঝেমধ্যে যাতায়াত করত। অভিযোগ অনুযায়ী, শিশুকে বিভিন্ন সময় ঘর ঝাড়ু দেওয়া বা কাপড় ধোয়ার অজুহাতে ডেকে নিয়ে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন খোরশেদ আলম।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

গত ৫ জানুয়ারি বিকালে শিশুর মা তাকে খুঁজতে এলে বিষয়টি প্রথম সামনে আসে এবং পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে শিশুর তার মায়ের কাছে সব ঘটনা খুলে বলে।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ

ভুক্তভোগী শিশুর মায়ের দাবি, এ বিষয়ে পুলিশের হাতিয়া সার্কেল কর্মকর্তার কাছে লিখিত জবানবন্দি দেওয়া হলেও তিনি টাকার বিনিময়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দিয়েছেন। উল্টো স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি পুলিশের পক্ষ নিয়ে তাদের কাছ থেকে জোরপূর্বক সাদা কাগজে স্বাক্ষর করিয়ে নিয়েছে। প্রশাসনের কাছ থেকে কোনো প্রতিকার না পেয়ে এবং চরম নিরাপত্তাহীনতায় তারা গত চার মাস ধরে ঘরছাড়া রয়েছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের বক্তব্য

হাতিয়া থানার ওসি মো. কবির হোসেন জানান, পূর্বে এ ধরনের একটি অভিযোগের ভিত্তিতে সার্কেল কর্মকর্তা তদন্ত করলেও তখন সত্যতা মেলেনি। তবে নতুন করে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এই মুহূর্তে নতুন কোনো লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ পাওয়া যায়নি এবং ভুক্তভোগী পরিবারও পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি বলে তিনি উল্লেখ করেন।