সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানসহ দুই আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেফতার
সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানসহ দুই আ.লীগ নেতা গ্রেফতার

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বৃষকেতু চাকমাসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের দুই নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে রাঙামাটি জেলা ও দায়রা জজ আদালত এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। গ্রেফতার অপরজন হলেন বাঘাইছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন আল মামুন।

গ্রেফতারকৃতদের পরিচয় ও মামলা

গ্রেফতার বৃষকেতু চাকমা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও বাঘাইছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। গ্রেফতার দুজনের বিরুদ্ধে বাঘাইছড়ি থানায় নির্দিষ্ট অভিযোগে মামলা রয়েছে বলে জানায় পুলিশ। গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে রাঙামাটি কোতোয়ালি থানার ওসি মো. জসীম উদ্দিন জানান, সন্ত্রাস দমন ও অপারেশন ডেভিল হান্টে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ওই দুই নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাদের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে পরিচালিত অভিযানে রাঙামাটি আদালত ভবনসংলগ্ন এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে বাঘাইছড়ি থানায় নির্দিষ্ট অভিযোগে মামলা রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হবে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অপরাধ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাঙামাটিতে পুলিশি অভিযান চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি।

মামলার বিবরণ

পুলিশ জানায়, ২০২৫ সালের ৯ মার্চ বৃষকেতু চাকমাকে প্রধান আসামি করে বাঘাইছড়ি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন বাঘাইছড়ি পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. হাবিবুর রহমান। এতে বাঘাইছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি মো. গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, সাবেক মেয়র জমির উদ্দিন, বাঘাইছড়ির আমতলী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রাসেল চৌধুরীসহ ২২ জনের নাম উল্লেখ করে অপরিচিত আরও ৪০-৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০২২ সালের ২৬ আগস্ট স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বাঘাইছড়ি উপজেলা সদর মাঠে বিএনপি ও তার অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের ২০০-২৫০ নেতাকর্মী সমাবেশে মিলিত হন। এ সময় বৃষকেতু চাকমার প্রত্যক্ষ নির্দেশে বাঘাইছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের নেতৃত্বে আসামিরা দলবদ্ধ হয়ে সমাবেশস্থলে হাজির হয়ে হত্যার উদ্দেশে ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটা দিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। এতে মামলার বাদী হাবিবুর রহমানসহ বিএনপির ২০-২৫ জন নেতাকর্মী গুরুতর আহত হন।