বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. খন্দকার মারুফ হোসেন বলেছেন, শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় শিক্ষা ব্যবস্থায় বিগত সরকারের রেখে যাওয়া অনিয়ম, দুর্নীতি ও বিশৃঙ্খলা দূর করে শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে।
কুমিল্লায় বিদায় সংবর্ধনায় বক্তব্য
সোমবার (২৯ জুন) কুমিল্লার দাউদকান্দী উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ ড. মোশাররফ ফাউন্ডেশন ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শেখ হাসিনা সরকারের সমালোচনা
ড. খন্দকার মারুফ হোসেন বলেন, বিগত শেখ হাসিনা সরকার দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে। জাতিকে বিপথে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই শিক্ষাঙ্গনে অরাজকতা সৃষ্টি করা হয়েছে এবং ঢালাওভাবে পাশের হার বাড়ানো হয়েছে। শিক্ষার উন্নয়নে আওয়ামী লীগ সরকার কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
বিএনপি সরকারের শিক্ষা ব্যবস্থা
শিক্ষাব্যবস্থায় বিএনপি সরকারের পদক্ষেপের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে ক্যাম্পাসে রাহাজানি, সিট দখলসহ এ ধরনের অপকর্ম হয় না। নকলমুক্ত পাবলিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় এবং শিক্ষার গুণগত মান উন্নত হয়। এবারও প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। কঠোর নজরদারি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে এইচএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা হবে।
পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে
পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে আগামী দিনে তোমরাই দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নেবে এবং বাবা-মায়ের মুখ উজ্জ্বল করবে। জাতির প্রত্যাশা পূরণে নিজেদের যোগ্য ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার পরামর্শ দেন তিনি।
বৃক্ষরোপণ ও অনুষ্ঠান
জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ড. খন্দকার মারুফ হোসেন কলেজ ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ করেন। বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ আবদুর রহমান। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ আবুল হাশেম, দাউদকান্দী উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ জসিমউদ্দিন আহমেদ, সদস্যসচিব ভিপি জাহাঙ্গীর আলম, বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন চেয়ারম্যান, কুমিল্লা উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন আনন্দ এবং জেলা জাসাসের সদস্যসচিব এস. এম. মিজানসহ অন্যান্য নেতারা।



