মারুফ কামালের তোপ: এমআরডিআই আওয়ামী লীগের দোসরদের কান্নার আসর
মারুফ কামালের তোপ: এমআরডিআই আওয়ামী লীগের দোসরদের কান্নার আসর

ঢাকায় শনিবার থেকে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী সাংবাদিকতা বিষয়ক সম্মেলন। ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এমআরডিআই) এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে। তবে সম্মেলনে অংশগ্রহণ, সেশন বিন্যাস এবং প্রতিনিধিত্ব নিয়ে সাংবাদিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠেছে। এমআরডিআইয়ের কার্যক্রম নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন প্রতিদিনের বাংলাদেশ সম্পাদক ও বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান।

তিনি বলেন, এমআরডিআইয়ের নাম শুনেছেন কখনো? তৎপরতা দেখেছেন? আমি দেখিনি, শুনিনি। অথচ ২০০১ সালে ঢাকায় জন্মেছে সাংবাদিকতা বিষয়ক এই বাংলাদেশি সংস্থাটি। এর আদল খানিকটা এনজিও ধাঁচের। এতে সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও অন্যান্য পেশাজীবী যারাই জড়িত তাদের সবাই- শতকরা একশ ভাগই আওয়ামী ঘরানার। অর্থাৎ এমআরডিআই হচ্ছে By the Awami League, for the Awami League, of the Awami League.

এই এমআরডিআই ঢাকার অভিজাত হোটেলে সাংবাদিকতা নিয়ে জমকালো অনুষ্ঠান করেছে। সেখানে পতিত ফ্যাসিবাদের সব মিডিয়া-দোসর মিলে নাকি কান্না কেঁদেছে। নালিশ করেছে, এখন তারা মজলুম। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা মানেই সাংবাদিকতার ওপর আঘাত। তারা কেঁদেকেটে বলেছে, আমাদের দোসর বলা হয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মারুফ কামাল আরও বলেন, এসব বেত্তান্ত আবার ফলাও করে প্রচার করা হচ্ছে। জামানা বদলের সঙ্গে ভূমিকা বদলের এই নিলাজ চিত্র আমাদের দেখতে হচ্ছে। এই কাঁদুনেরা ফ্যাসিস্ট জামানায় আমাদের ওপর নির্যাতনে উৎসাহ জোগাত। এদের মদতে হাসিনা রেজিম খুন, গুম, নির্যাতন, মিডিয়া বন্ধ, চাকরিচ্যুতি, দুর্নীতি, লোপাট, দলীয়করণ, অবিচার অবাধে করেছে। আমাদের শান্তি, স্বাভাবিক পারিবারিক ও সামাজিক জীবন হাসিনা তছনছ করে দিয়েছেন। আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া দুঃখ, কষ্ট, যন্ত্রণা, চরিত্রহনন ও নির্যাতন নিয়ে সাংবাদিকতার মুখোশের আড়ালের এই নষ্ট লোকগুলো হাসি-তামাশা করত। অন্যায়ের বিরুদ্ধে একবিন্দু প্রতিবাদও তারা করেনি। এসব ভূমিকার বিনিময়ে ওরা ফুলেফেঁপে উঠেছে, বিত্তবৈভবের পাহাড় গড়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তিনি বলেন, অতীত অপকর্মের জন্য ওদের কারো কোনো অনুশোচনা নেই। এখন তারা সাংবাদিকতার অধিকারের দাবির মোড়কে কুটিল রাজনৈতিক ক্যাম্পেইনে নেমেছে। এতকিছুর পরও ওরা যদি অনুশোচনা করে, ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চায় এবং আর কখনো এসব অপরাধের পুনরাবৃত্তি করবে না বলে অঙ্গীকার করে, তাহলে আমি নিজে ব্যক্তিগতভাবে ওদের ক্ষমা করে পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়ার পক্ষে দাঁড়াব। কথা দিলাম।