প্রধানমন্ত্রীর অফিসের মুখপাত্র হিসেবে নিযুক্ত হলেন মাহদী আমিন ও সালেহ শিবলী
প্রধানমন্ত্রীর অফিসের মুখপাত্র নিযুক্ত মাহদী আমিন ও সালেহ শিবলী

প্রধানমন্ত্রীর অফিসের মুখপাত্র হিসেবে নিযুক্ত হলেন মাহদী আমিন ও সালেহ শিবলী

প্রধানমন্ত্রীর অফিসের (পিএমও) মুখপাত্র হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন ও প্রেস সচিব আবু আবদুল্লাহ এম সালেহ, যিনি সালেহ শিবলী নামে অধিক পরিচিত। রবিবার প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে এই সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে কী বলা হয়েছে?

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিজনেস রুলস, ১৯৯৬-এর ২৮(৪) বিধির অধীনে মাহদী আমিন ও সালেহ শিবলী প্রধানমন্ত্রীর অফিসের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তাদের মূল কাজ হবে প্রেস, মিডিয়া ও অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে প্রধানমন্ত্রীর অফিস সম্পর্কিত সরকারি তথ্য সরবরাহ ও প্রচার করা। বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে

মাহদী আমিনের দায়িত্ব ও পটভূমি

রাষ্ট্রমন্ত্রীর মর্যাদাপ্রাপ্ত উপদেষ্টাদের মধ্যে মাহদী আমিন শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং দলের মুখপাত্র হিসেবেও দায়িত্বে ছিলেন। নির্বাচনকালীন সময়ে তিনি গুলশানে অবস্থিত দলের নির্বাচনী অফিস থেকে বিভিন্ন ইস্যুতে নিয়মিতভাবে দলের অবস্থান উপস্থাপন করতেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সালেহ শিবলীর নিয়োগ ও অভিজ্ঞতা

গত ১৯ ফেব্রুয়ারি সরকার সালেহ শিবলীকে সচিবের মর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব নিযুক্ত করে। এর আগে, ৩ জানুয়ারি তাকে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রেস সচিব নিযুক্ত করা হয়েছিল। তিনি কয়েক দশক ধরে তারেক রহমানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে আসছেন। সালেহ শিবলী পূর্বে ইউএনবি, দৈনিক মানবজমিন, দ্য ডেইলি বাংলাবাজার, রেডিও টুডে ও চ্যানেল আইসহ বেশ কয়েকটি মিডিয়া প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন। চারদলীয় জোট সরকারের আমলে তিনি কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাই কমিশনে ফার্স্ট সেক্রেটারি (প্রেস) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এই নিয়োগের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর অফিসের তথ্য প্রচার ও যোগাযোগ কার্যক্রম আরও সুসংহত হবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। উভয় ব্যক্তিরই রাজনৈতিক ও মিডিয়া ক্ষেত্রে ব্যাপক অভিজ্ঞতা রয়েছে, যা তাদের নতুন দায়িত্বে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।