প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আপাতত রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় উঠছেন না
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যমুনায় উঠছেন না

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যমুনায় উঠছেন না: গুলশানের বাসভবনেই থাকবেন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আপাতত রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় উঠবেন না বলে বৃহস্পতিবার নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, গুলশানের বাসভবনে থাকতেই প্রধানমন্ত্রী স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন, তাই বসবাসের জন্য আপাতত যমুনায় উঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

গুলশানের বাসভবনেই স্বাচ্ছন্দ্য

আতিকুর রহমান রুমন স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, গুলশানের বাসভবনে থাকাকালীন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন। এই কারণেই তিনি আপাতত রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় স্থানান্তরিত হচ্ছেন না। এটি একটি ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা তার দৈনন্দিন কার্যক্রমে কোনো প্রভাব ফেলবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ঈদুল ফিতরের কর্মসূচি যমুনায়

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি সম্পর্কে আগেই তথ্য দেওয়া হয়েছিল। বুধবার অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানিয়েছিলেন, ঈদুল ফিতরের দিন প্রধানমন্ত্রী শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন যমুনায়। তিনি জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করার পর সকাল ১০টা থেকে দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই কর্মসূচি সম্পূর্ণভাবে বজায় থাকবে, যদিও প্রধানমন্ত্রী আপাতত যমুনায় বসবাস করছেন না। অর্থাৎ, তিনি শুধুমাত্র ঈদের দিনের কর্মসূচির জন্য যমুনায় উপস্থিত হবেন, কিন্তু সেখানে স্থায়ীভাবে থাকবেন না।

সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ

প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তের পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ থাকতে পারে:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • গুলশানের বাসভবনটি তার পরিচিত ও স্বাচ্ছন্দ্যময় পরিবেশ সরবরাহ করে।
  • যমুনায় স্থানান্তরিত হলে দৈনন্দিন কাজকর্মে কিছুটা পরিবর্তন আসতে পারে।
  • ব্যক্তিগত পছন্দ ও সুবিধাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।

আতিকুর রহমান রুমনের বক্তব্য অনুযায়ী, এই সিদ্ধান্তটি আপাতত বা সাময়িক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে পরিবর্তন আসতে পারে কিনা, সে বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট তথ্য দেওয়া হয়নি।

সর্বোপরি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সিদ্ধান্ত তার ব্যক্তিগত জীবনযাপন ও পছন্দের প্রতিফলন হিসেবে দেখা যাচ্ছে, যা রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমে কোনো প্রভাব ফেলবে না বলে আশা করা হচ্ছে।