প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের আসল কারণ এখন মানুষ বুঝতে পারছে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখন মানুষ বুঝতে পারছে। মঙ্গলবার শহীদ সেনা দিবসের বার্তায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
বিচারাধীন বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য না করার আহ্বান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। বিচারাধীন কোনো বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করার সুযোগ নেই।” তবে তিনি উল্লেখ করেন, এই হত্যাকাণ্ডে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে কার্যক্রম জড়িত ছিল বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
তারেক রহমান বলেন, “হত্যাকাণ্ডের পর মিথ্যা ও ভুল তথ্যের মাধ্যমে মানুষকে বিভ্রান্ত করার বিভিন্ন প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল। কিন্তু ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের আসল কারণ এখন মানুষ বুঝতে পারছে।”
শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও শোক প্রকাশ
প্রধানমন্ত্রী ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানা বিডিআর সদর দপ্তরে সংঘটিত মর্মান্তিক ঘটনায় নিহত ৫৭ সেনা কর্মকর্তা ও ১৭ জনের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এই উপলক্ষে তিনি প্রয়াতদের আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।
সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি নতুন অঙ্গীকারের আহ্বান
স্বাধীন জাতির সম্মান, বীরত্ব ও গর্বের প্রতীক হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা বর্ণনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভবিষ্যতে কেউ যেন সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে না পারে, সে জন্য নতুন অঙ্গীকার প্রয়োজন।” তিনি বলেন, “আজ আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে সেই অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করব।”
প্রধানমন্ত্রী দেশ ও জনগণের বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্রের মুখে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “দেশ ও জনগণের স্বার্থবিরোধী কোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকব—এটাই হোক শহীদ সেনা দিবসের অঙ্গীকার।”
শহীদ সেনা দিবসের বার্তায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
