সাধারণ মানুষের আনন্দ ও ব্যক্তিগত আয়োজনের প্রতি সম্মান জানিয়ে রাজনৈতিক শিষ্টাচারের দৃষ্টান্ত দেখালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রবিবার (১০ মে) রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে বিএনপির পূর্বনির্ধারিত দিনব্যাপী কর্মসূচি এক বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য সংক্ষিপ্ত করেন তিনি।
পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি ও বিয়ের আয়োজন
পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, এদিন বেলা ১১টায় কেআইবি মিলনায়তনে বিএনপিসহ দলের তিন সহযোগী সংগঠন— ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের জেলা ও মহানগর পর্যায়ের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকদের নিয়ে মতবিনিময় সভা শুরু হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
কর্মসূচি চলাকালেই প্রধানমন্ত্রী অবগত হন যে, একই মিলনায়তনে সন্ধ্যায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বিষয়টি জানার পর তিনি দলের নীতিনির্ধারকদের নির্দেশ দেন যেন দলীয় কর্মসূচি নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ করা হয়, যাতে বিয়ের আয়োজনে কোনো বিঘ্ন না ঘটে।
নবদম্পতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ
দলীয় সভা দ্রুত শেষ করার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেখানেই অবস্থানরত নবদম্পতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তিনি ব্যক্তিগতভাবে বর ও কনেকে শুভেচ্ছা জানান এবং তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা করেন। দেশের সরকার প্রধানকে আচমকা সামনে পেয়ে এবং তার এই আন্তরিকতায় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন নবদম্পতি।
রাজনৈতিক ব্যস্ততার মাঝেও সাধারণ মানুষের অনুভূতির প্রতি এমন সম্মান প্রদর্শন উপস্থিত অতিথি ও দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসিত হয়। উপস্থিত অতিথিরা জানান, একজন সরকার প্রধানের এমন মানবিক ও সৌজন্যমূলক আচরণ তার দায়িত্বশীল নেতৃত্ব এবং সাধারণ মানুষের প্রতি মমত্ববোধেরই প্রতিফলন।



