কুষ্টিয়ায় সীমান্তে সতর্কতামূলক মাইকিং ও নিরাপত্তা জোরদার
কুষ্টিয়ায় সীমান্তে সতর্কতা মাইকিং ও নিরাপত্তা বৃদ্ধি

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে জনসাধারণকে সতর্ক করতে মাইকিং করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। শনিবার (৯ মে) দুপুরে সীমান্ত সংলগ্ন বিভিন্ন গ্রামে এই সতর্কতামূলক প্রচারণা চালায় কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)।

মাইকিংয়ের মাধ্যমে কী জানানো হয়েছে?

মাইকিংয়ের মাধ্যমে সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের জানানো হয়, প্রতিদিন বিকাল ৫টার পর সীমান্তের ১৫০ গজ এলাকা বা শূন্যলাইনের ভেতরে প্রবেশ থেকে বিরত থাকতে হবে। একইসঙ্গে সীমান্ত সংলগ্ন কৃষি জমিতে কাজ করা বা গবাদিপশু চরানোর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

অবৈধ কার্যকলাপ প্রতিরোধে নির্দেশনা

বিজিবির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, সীমান্ত এলাকায় মাদক, অস্ত্র ও চোরাচালান প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি বা কার্যকলাপ চোখে পড়লে দ্রুত নিকটস্থ বিজিবি ক্যাম্পে জানানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের পর কোনো বাংলাদেশি নাগরিক যেন সীমান্ত এলাকায় অবস্থান না করেন, সে বিষয়েও কঠোর নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সীমান্ত দিয়ে পুশ-ইন বা অবৈধ অনুপ্রবেশের কোনো তথ্য পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট বিজিবি ক্যাম্পে অবহিত করার জন্য স্থানীয়দের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা জোরদার

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা ও রাজনৈতিক উত্তেজনার খবর প্রকাশের পর বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি। সীমান্ত এলাকায় টহল বৃদ্ধি, অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন এবং নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্ত দিয়ে মাদকদ্রব্য, চোরাচালান ও অবৈধ মালামাল প্রবেশ ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোর সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও খোঁজখবরও নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিজিবি অধিনায়কের বক্তব্য

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (৪৭ বিজিবি) কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল রাশেদ কামাল রনি বলেন, সীমান্তে জনসাধারণের উদ্দেশে মাইকিং করে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এ ছাড়াও অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন ও নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির তথ্য পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা মূলত শহরকেন্দ্রিক হলেও সীমান্তে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।