ইন্টারনেটে ক্ষতিকর কনটেন্টের ঝুঁকি কমাতে এবং শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা জোরদার করতে দুটি নতুন নিয়ন্ত্রণমূলক নীতিমালা প্রকাশ করেছে মালয়েশিয়া। দেশের অনলাইন সেবাদাতা লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে অবশ্যই এই নির্দেশনাগুলো মেনে চলতে হবে।
নীতিমালা প্রকাশের বিবরণ
শুক্রবার মালয়েশিয়ান কমিউনিকেশনস অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া কমিশন (এমসিএমসি) তাদের ২০২৫ সালের অনলাইন নিরাপত্তা আইনের অধীনে এই দুটি নীতিমালা প্রকাশ করেছে। দেশটির নিয়ন্ত্রক সংস্থা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই নীতিমালার মধ্যে থাকা ঝুঁকি হ্রাসকরণ নীতিমালার আওতায় লাইসেন্সপ্রাপ্ত অ্যাপ্লিকেশন সেবাদাতা এবং কনটেন্ট অ্যাপ্লিকেশন সেবাদাতাদের কিছু সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করতে হবে।
ঝুঁকি হ্রাসকরণ নীতিমালার মূল বিষয়
আইনের ১৩ নম্বর ধারা অনুযায়ী, এর মধ্যে কনটেন্ট মডারেশন, ঝুঁকি মূল্যায়ন, ব্যবহারকারীর নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা এবং শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা সুরক্ষার মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই নীতিমালার অধীনে সেবাদাতাদেরকে কঠোরভাবে এসব নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
শিশু সুরক্ষা নীতিমালার বিস্তারিত
অন্যদিকে, শিশু সুরক্ষা নীতিমালায় উক্ত আইনের ১৮ নম্বর ধারা অনুযায়ী শিশুদের জন্য নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর অধীনে ১৬ বছরের কম বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য নিষেধাজ্ঞা, বয়স যাচাইকরণ ব্যবস্থা, অভিভাবকীয় নিয়ন্ত্রণ, গোপনীয়তার সেটিংস এবং কনটেন্ট মডারেশনের মতো নিয়মগুলো নির্ধারণ করা হয়েছে।
আইনি ভিত্তি ও প্রয়োগ
কমিশন জানিয়েছে, অনলাইন সেফটি অ্যাক্ট ২০২৫-এর ৮০ নম্বর ধারা অনুযায়ী এই নিয়মনীতিগুলো জারি করা হয়েছে। এই ধারাটি লাইসেন্সধারী সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এ ধরনের শর্ত বা নিয়মাবলী নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে আইনি ক্ষমতা প্রদান করবে। ফলে, যেকোনো প্রতিষ্ঠান যদি এই নীতিমালা লঙ্ঘন করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হবে।
সূত্র: সিনহুয়া



