লক্ষ্মীপুরে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে ১১ বছরের শিশু ধর্ষণ
লক্ষ্মীপুরে নানার বাড়িতে এসে ১১ বছরের শিশু ধর্ষণ

লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলায় নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে ১১ বছর বয়সী এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। সোমবার (১ জুন) দুপুরের দিকে উপজেলার চরবাদাম ইউনিয়নের চরসীতা গ্রামে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ অভিযুক্ত যুবককে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তারকৃত যুবক

গ্রেপ্তারকৃত ওই যুবকের নাম আনিছুর রহমান মামুন। স্থানীয় বাসিন্দা এবং ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে জানা যায়, নির্যাতিত ওই শিশুটির মূল বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলায়। সম্প্রতি ঈদ উৎসব উদযাপনের উদ্দেশ্যে সে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে রামগতি উপজেলার চরবাদাম ইউনিয়নের চরসীতা গ্রামে তার নানার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল।

ঘটনার বিবরণ

সোমবার দুপুরে একটি সুযোগ বুঝে প্রতিবেশী যুবক আনিছুর রহমান মামুন ওই শিশুটিকে জোরপূর্বক একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায় এবং সেখানে তাকে ধর্ষণ করে। ওই সময় শিশুটির চিৎকার ও আকুতি শুনে আশেপাশের প্রতিবেশীরা দ্রুত ঘটনাস্থলের দিকে এগিয়ে আসলে অভিযুক্ত মামুন সেখান থেকে কৌশলে পালিয়ে যায়। এই পাশবিক ঘটনার পর স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের পদক্ষেপ

পরবর্তীতে বিষয়টি পুলিশ প্রশাসনকে অবহিত করা হলে পুলিশ ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে সোমবার রাতেই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত মামুনকে আটক করতে সক্ষম হয়। এই মর্মান্তিক ঘটনায় ক্ষোভ ও বিচার প্রকাশ করে শিশুটির মা বলেন, তার ছোট মেয়েটি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে নানার বাড়িতে ঈদ উদযাপন করতে এসেছিল। কিন্তু অভিযুক্ত মামুন তার মেয়ের জীবনকে এভাবে বিষিয়ে তুলেছে। একজন মা হিসেবে তিনি এই ধর্ষকের সর্বোচ্চ আইনগত শাস্তি দাবি করেছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

থানার বিবৃতি

রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিটন দেওয়ান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অভিযুক্ত মামুনকে আটক করার পাশাপাশি শিশুটি ধর্ষণের শিকার হওয়ার বিষয়টি সুনিশ্চিত হওয়া গেছে। তিনি আরও জানান, এই ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুটির নানি হাজেরা বেগম বাদী হয়ে অভিযুক্ত মামুনকে একমাত্র আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। আটককৃত মামুনকে বর্তমানে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং এই বিষয়ে পরবর্তী সমস্ত আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

স্থানীয় প্রতিক্রিয়া

এদিকে শান্ত এলাকায় এমন জঘন্য অপরাধের কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসী এই ন্যাক্কারজনক ও অমানবিক ঘটনার তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেছেন এবং অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোরালো দাবি জানিয়েছেন।