নির্বাচনী ব্যয় হিসাব জমা না দেওয়ায় এনসিপিসহ ৭ দলকে শোকজ নোটিশ
নির্বাচনী ব্যয় হিসাব জমা না দেওয়ায় এনসিপিসহ ৭ দলকে শোকজ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা না দেওয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) সাতটি দলকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনিরের সই করা এ–সংক্রান্ত নোটিশ সংশ্লিষ্ট দলগুলো বরাবর পাঠানো হয় বলে ইসি সূত্র জানিয়েছে।

শোকজ পাওয়া দলগুলো

যেসব দলকে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে, সেগুলো হলো এনসিপি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (বিএমএল), বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট (এনডিএম) এবং আমজনতার দল।

নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও সময়সীমা

গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ১৩ ফেব্রুয়ারি রাতে ফলের গেজেট প্রকাশ হয়। নির্বাচনে অংশ নেয় ৫০টি দল। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, ভোটের ফলের গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে দলের ব্যয় বিবরণী জমা দিতে হয়। সে হিসেবে ১৩ মে নির্বাচনী ব্যয় বিবরণী জমা দেওয়ার শেষ সময় ছিল। নির্ধারিত সময়ে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীসহ ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়েছে ২৭টি দল। বাকি দলগুলোকে হিসাব দিতে ১৪ জুন পর্যন্ত বাড়তি সময় দেয় ইসি। বর্ধিত এ সময়ে বিএনপিসহ ১৬টি দল হিসাব জমা দেয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আইনি প্রক্রিয়া ও জরিমানা

এনসিপিসহ বাকি সাতটি দল ব্যয় বিবরণী জমা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের শোকজ নোটিশ দেওয়া হলো। দলগুলোকে আলাদাভাবে দেওয়া এ–সংক্রান্ত চিঠিতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলগুলো প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছিল। আরপিওর ৪৪গগগ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্বাচন শেষ হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ব্যয়ের বিবরণী নিরীক্ষার জন্য নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। আরপিওর ৪৪গগগ (৫) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে ব্যয় বিবরণী জমা দিতে ব্যর্থ হলে কমিশন ১০ হাজার টাকা জরিমানা সাপেক্ষে সময় বাড়াতে পারে। এরপরও হিসাব জমা না দিলে নিবন্ধন বাতিলের ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নোটিশের নির্দেশনা

চিঠিতে বলা হয়, ব্যয় বিবরণী জমা না দেওয়ার বিষয়ে কেন ১০ হাজার টাকা জরিমানাসহ হিসাব দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হবে না, তার জবাব অনতিবিলম্বে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর দিতে বলা হয়েছে।