শেরপুর-৩ আসনে উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীর বিশাল ব্যবধানে এগিয়ে থাকা
শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের উপনির্বাচনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল বড় ব্যবধানে এগিয়ে আছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত ১২৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ১১১টি কেন্দ্র এবং পোস্টাল ভোটের গণনায় রুবেল পেয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ৫৯৬ ভোট।
প্রতিদ্বন্দ্বীদের ফলাফল ও ব্যবধান
রুবেলের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাসুদুর রহমান মাসুদ পেয়েছেন ৪১ হাজার ৫৬৩ ভোট। এই হিসাবে, এখন পর্যন্ত রুবেল প্রায় ১ লাখ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। শেরপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ভোটগ্রহণের সময় ও প্রক্রিয়া
এই উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ সকাল সাড়ে সাতটা থেকে শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে বিকাল সাড়ে চারটা পর্যন্ত চলে। রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, ‘সুষ্ঠু ও স্বাভাবিকভাবেই ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। কিছু স্থানে জাল ভোটের ঘটনা ঘটেছে, জড়িতদের আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনে ৫০ দশমিক ৫২ শতাংশ ভোট পড়েছে।
নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা ও অভিযোগ
তবে, বিকাল তিনটায় একটি সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের প্রার্থী নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীর এজেন্টকে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে এবং জালভোট ও প্রকাশ্যে সিল মারার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও পুলিশকে জানিয়েও কোনও প্রতিকার পাওয়া যায়নি বলে তিনি দাবি করেন।
এই উপনির্বাচনটি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে, যেখানে ভোটের ফলাফল এখনও চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করা হয়নি। নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও ফলাফল নিয়ে বিভিন্ন মহলের প্রতিক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।



