ইন্টারিম সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনুসের জামায়াত আমীর ড. শফিকুর রহমানকে অভিনন্দন
ইন্টারিম সরকারের প্রধান উপদেষ্টার জামায়াত আমীরকে অভিনন্দন

ইন্টারিম সরকারের প্রধান উপদেষ্টার জামায়াত আমীরকে অভিনন্দন

ইন্টারিম সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনুস বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ড. শফিকুর রহমানকে ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সম্মানজনক ফলাফল অর্জনের জন্য অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন। রবিবার এক বার্তায় তিনি জামায়াত আমীরকে বলেন, “আপনার নেতৃত্বে আপনার দলের প্রার্থীদের সক্রিয় ও ব্যাপক অংশগ্রহণ, শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং পরবর্তীতে নির্বাচনের ফলাফল শান্তিপূর্ণভাবে ও মর্যাদার সাথে গ্রহণের জন্য আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই।”

দেশের সামগ্রিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখায় ভূমিকা

প্রধান উপদেষ্টা আরও উল্লেখ করেন, “নির্বাচনী প্রচারণার সময় থেকে ফলাফল-পরবর্তী পর্যায় পর্যন্ত আপনার রাজনৈতিক শিষ্টাচার, সংযম, দায়িত্বশীল বক্তব্য এবং আপনার কর্মীদের মধ্যে শান্তিপূর্ণ আচরণের আহ্বান দেশের সামগ্রিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে।” তিনি জামায়াতের গঠনমূলক সমর্থন, পরামর্শ ও সহযোগিতার জন্য বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণে সরকার ও বিরোধী দলের দায়িত্ব

ড. ইউনুস বলেন যে বাংলাদেশ এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে বৈশ্বিক অর্থনীতি, প্রযুক্তি, জলবায়ু পরিবর্তন, মানব উন্নয়ন ও সামাজিক ন্যায়বিচারের মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হচ্ছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে সরকার ও বিরোধী দল উভয়কেই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন যে ড. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি গঠনমূলক বিরোধী দল হিসেবে কাজ করবে, যা নীতিগত বিতর্ক, জনগণের কাছে জবাবদিহিতা ও ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রচার করবে।

জাতীয় ঐক্য শক্তিশালীকরণে অব্যাহত ভূমিকার প্রত্যাশা

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে অতীতে জাতীয় ঐক্য শক্তিশালী করতে আপনি যে ভূমিকা পালন করেছেন, তা আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে। জাতীয় ঐক্যই আমাদের শক্তি।” তিনি ড. শফিকুর রহমানের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সামগ্রিক কল্যাণের জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন।

এই বার্তাটি রাজনৈতিক সংলাপ ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় জামায়াতের অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরে, যা দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বলে বিবেচিত হচ্ছে।