ঢাকার ১২ সংসদীয় আসনের ফলাফল চূড়ান্ত, ঢাকা-১০ এ বিএনপি প্রার্থী এগিয়ে
ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের (রিটার্নিং কর্মকর্তা) কার্যালয় ঘোষিত ১৩টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ১২টির ফলাফল চূড়ান্ত হয়েছে। শুধুমাত্র ঢাকা-১০ আসনের চূড়ান্ত ফলাফল এখনো ঘোষণা করা হয়নি। তবে এই আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী শেখ রবিউল আলম বিজয়ী হিসেবে এগিয়ে রয়েছেন বলে জানা গেছে।
বিভাগীয় কমিশনারের ঘোষণা
বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শরফ উদ্দিন চৌধুরী ঘোষিত ১২টি আসনের চূড়ান্ত ফলাফল নিম্নরূপ:
- ঢাকা-৪: জয়নুল আবেদীন (দাঁড়িপাল্লা) ৭৭,৩৬৭ ভোট, তানভীর আহমেদ (ধানের শীষ) ৭৪,৪৪৭ ভোট।
- ঢাকা-৫: মোহাম্মদ কামাল হোসেন (দাঁড়িপাল্লা) ৯৬,৬৪১ ভোট, মো. নবী উল্লাহ (ধানের শীষ) ৮৭,৪৯১ ভোট।
- ঢাকা-৬: ইশরাক হোসেন (ধানের শীষ) ৭৮,৮৫০ ভোট, আব্দুল মান্নান (দাঁড়িপাল্লা) ৫৫,৬৯৭ ভোট।
- ঢাকা-৭: হামিদুর রহমান (ধানের শীষ) ১,০৪,৬৬৬ ভোট, এনায়েত উল্লাহ (দাঁড়িপাল্লা) ৯৮,৪৮৩ ভোট।
- ঢাকা-৮: মির্জা আব্বাস (ধানের শীষ) ৫৯,৩৬৬ ভোট, নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী (শাপলা কলি) ৫৪,১২৭ ভোট।
- ঢাকা-৯: হাবিবুর রশিদ (ধানের শীষ) ১,১১,২১২ ভোট, জাবেদ মিয়া (শাপলা কলি) ৫৩,৪৬০ ভোট, তাসনিম জারা (ফুটবল) ৪৪,৬৮৪ ভোট।
- ঢাকা-১১: নাহিদ ইসলাম (শাপলা কলি) ৯৩,৮৭২ ভোট, এম এম কাইয়ুম (ধানের শীষ) ৯১,৮৩৩ ভোট।
- ঢাকা-১২: সাইফুল আলম (দাঁড়িপাল্লা) ৫৩,৭৭৫ ভোট, সাইফুল হক (কোদাল) ৩০,৯৬৩ ভোট, সাইফুল আলম নীরব (ফুটবল) ২৯,৮৬৯ ভোট।
- ঢাকা-১৪: মীর আহমাদ বিন কাশেম (দাঁড়িপাল্লা) ১,০১,১১৩ ভোট, সানজিদা ইসলাম (ধানের শীষ) ৮৩,৩২৩ ভোট।
- ঢাকা-১৬: আব্দুল বাতেন (দাঁড়িপাল্লা) ৮৮,৮২৮ ভোট, আমিনুল ইসলাম (ধানের শীষ) ৮৫,৪৬৭ ভোট।
- ঢাকা-১৭: তারেক রহমান (ধানের শীষ) ৭২,৬৯৯ ভোট, খালিদুজ্জামান (দাঁড়িপাল্লা) ৬৮,৩০০ ভোট।
- ঢাকা-১৮: এস এম জাহাঙ্গীর (ধানের শীষ) ১,৪৪,৭১৫ ভোট, আরিফুল ইসলাম (শাপলা কলি) ১,১১,২৯৭ ভোট।
ঢাকা-১০ আসনের অবস্থা
ঢাকা-১০ আসনের চূড়ান্ত ফলাফল এখনো ঘোষণা করা হয়নি। তবে প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শেখ রবিউল আলম বিজয়ী হিসেবে এগিয়ে রয়েছেন। এই আসনের ফলাফল ঘোষণা করা হলে ঢাকা বিভাগের ১৩টি সংসদীয় আসনের সবকটির ফলাফল সম্পূর্ণ হবে।
বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন চৌধুরী জানিয়েছেন, ফলাফল ঘোষণার প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, ঢাকা-১০ আসনের ফলাফল শীঘ্রই ঘোষণা করা হবে এবং এটি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
