ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাল ভোট ও সহিংসতার ঘটনা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাল ভোট দেওয়ার অভিযোগে একজন নারীকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অনিয়মের একটি উদাহরণ হিসেবে প্রকাশ্যে এসেছে।
ভোট সহকারী বরখাস্ত ও ফেসবুক পোস্ট
একজন প্রিসাইডিং-পোলিং অফিসারকে ভোট সহকারী হিসেবে বরখাস্ত করা হয়েছে। তিনি ফেসবুকে একটি পোস্টে জামায়াত আমীর বিজয় পেলে মিছিল না করে সিজদায় পড়ার কথা উল্লেখ করেছিলেন। এই পোস্টটি বিতর্কের সৃষ্টি করে এবং তার পদচ্যুতি ঘটে।
ককটেল বিস্ফোরণ ও ভোটকেন্দ্রে অস্থিরতা
কুমিল্লার একটি ভোটকেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে ভোটারদের মধ্যে ছোটাছুটি শুরু হয়। এছাড়া, ভোলায় ককটেল ফাটিয়ে ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের চেষ্টা করা হয়েছে। এই সহিংস ঘটনাগুলো নির্বাচনী পরিবেশকে ব্যাহত করেছে।
ভোটদান ও অন্যান্য ঘটনা
একজন দাদা তার নাতির কোলে চড়ে ভোট দিয়েছেন, যা একটি হৃদয়গ্রাহী দৃশ্য হিসেবে গণমাধ্যমে আলোচিত হয়েছে। কর্নেল অলি চন্দনাইশে ভোট দিয়েছেন, এবং লুৎফুজ্জামান বাবর ঝালকাঠিতে ভোট দিয়েছেন।
হামলা ও আহত
ঝালকাঠিতে দাঁড়িপাল্লা প্রার্থী ড. ফয়জুল হকের ওপর হামলা চালানো হয়েছে, যার ফলে আটজন আহত হয়েছেন। এই ঘটনাটি নির্বাচনী সহিংসতার আরেকটি উদাহরণ।
সেনাবাহিনীর ভূমিকা
জামায়াত আমির সেনাবাহিনীর ভূমিকাকে প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেছেন। নির্বাচনী নিরাপত্তা বজায় রাখতে সেনাবাহিনীর প্রচেষ্টা প্রশংসা পেয়েছে।
এই সব ঘটনা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ঘটেছে, যা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছে।
