ভাইরাল ফটোকার্ডটি যুগান্তরের নয়, বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা বলে দাবি
ভাইরাল ফটোকার্ড যুগান্তরের নয়, বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা

ভাইরাল ফটোকার্ডটি যুগান্তরের নয়, বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা বলে দাবি

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের ঠিক আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ফটোকার্ড ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। এই ফটোকার্ডটির শীর্ষক ছিল 'জামায়াতের কোনো অপরাধের দায় এনসিপি নেবে না, জোট ছাড়ার ঘোষণা নাহিদ ইসলামের'। তবে যুগান্তর পত্রিকা স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এই ফটোকার্ডটি তাদের প্রকাশনা নয়।

নির্বাচনের আগে গুজব ছড়ানোর প্রবণতা

জাতীয় নির্বাচনের ঠিক আগে নানা ধরনের গুজব ও বিভ্রান্তি ছড়ানোর একটি প্রবণতা তৈরি হয়। এই সময়ে বুধবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উল্লিখিত ফটোকার্ডটি ছড়িয়ে পড়ে। যুগান্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে সকাল ১১:৪০ এএম সময়ে এই বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর কাজ বলে অভিযোগ

যুগান্তর দাবি করেছে, একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী জাতীয় নির্বাচনের আগে বিভ্রান্তি ছড়ানো এবং যুগান্তরের সুনাম ক্ষুণ্ন করার লক্ষ্যে এই কাজটি করেছে। সংবাদমাধ্যমটি তাদের এক্সপ্লেইনার বিভাগে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

ফটোকার্ডটির বিষয়বস্তু জামায়াত ও এনসিপির মধ্যে সম্ভাব্য ভাঙন নিয়ে আলোচনা তৈরি করলেও, যুগান্তর জোর দিয়ে বলেছে যে এটি তাদের কোনো প্রতিবেদন বা প্রকাশনা নয়। সংবাদমাধ্যমটি তাদের পাঠকদের বিভ্রান্তি এড়াতে এবং সঠিক তথ্য জানতে আহ্বান জানিয়েছে।

সামাজিক মাধ্যমের ভূমিকা

এই ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তথ্য ছড়ানোর গতি এবং প্রভাব সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষ করে নির্বাচনী সময়ে ভুয়া তথ্য ও ফটোকার্ড ছড়ানোর ঘটনা ক্রমাগত বাড়ছে। যুগান্তর তাদের হোয়াটসঅ্যাপ ও মেসেঞ্জার চ্যানেলের মাধ্যমে সঠিক তথ্য প্রদান করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

সংবাদমাধ্যমটি আরও জানিয়েছে, তারা এই ধরনের বিভ্রান্তিকর প্রচারণার বিরুদ্ধে আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে বিবেচনা করছে। পাঠকদেরকে শুধুমাত্র যুগান্তরের অফিসিয়াল চ্যানেল থেকে সংবাদ গ্রহণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।