হবিগঞ্জ-৩ আসনে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কালোটাকা ছড়ানোর অভিযোগ
হবিগঞ্জ-৩ (সদর—লাখাই—শায়েস্তাগঞ্জ) আসনে আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে একটি রাজনৈতিক দল অবৈধ পন্থা অবলম্বনের চেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও ধানের শীষের প্রার্থী জিকে গউছ দাবি করেছেন, এই দলটি কালোটাকা ছড়ানোর মাধ্যমে ভোটারদের প্রভাবিত করতে এবং ধর্মের নামে মানুষকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে।
বিএনপি নেতার বক্তব্য ও সতর্কতা
জিকে গউছ বলেন, "মিডিয়ার মাধ্যমে আমরা ইতোমধ্যেই জানতে পেরেছি, দেশের বিভিন্ন স্থানে কাড়ি কাড়ি টাকা নিয়ে একটি রাজনৈতিক দলের নেতারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়ছেন। হবিগঞ্জে দৃশ্যমান পরিবেশ এখনও ভালো, তবে এখানেও অনুরূপ দুষ্কর্মের আশঙ্কা রয়েছে।" তিনি প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, "আমরা আশা করছি, হবিগঞ্জে যেকোনো অবৈধ কার্যকলাপ দ্রুত প্রতিহত করা হবে এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হবে।"
হবিগঞ্জ-৩ আসনের নির্বাচনী পরিসংখ্যান
উল্লেখ্য, হবিগঞ্জ-৩ আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা ৪ লাখ ১৫ হাজার ৫৭৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছেন ২ লাখ ১৩ হাজার ২৯৮ জন, মহিলা ভোটার ২ লাখ ৬ হাজার ২৬২ জন এবং হিজরা ভোটার আছেন ১৩ জন। এখানে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১৩৭টি এবং নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৬ জন প্রার্থী।
এই আসনে নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে চলমান বিতর্ক ও অভিযোগের প্রেক্ষাপটে স্থানীয় প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনীর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। জিকে গউছের বক্তব্যে নির্বাচনী নৈতিকতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে, যা দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।
