গুলশানে নিম্নমানের হেলমেট বর্জনের প্রতীকী কর্মসূচি পালন করেছে ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগ
গুলশানে নিম্নমানের হেলমেট বর্জনে ডিএমপির প্রতীকী কর্মসূচি

গুলশানে নিম্নমানের হেলমেট বর্জনের প্রতীকী কর্মসূচি পালন করেছে ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগ

সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ও প্রাণহানি কমানোর লক্ষ্যে একটি ব্যতিক্রমী সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক গুলশান বিভাগ। ৯ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখে বৃহস্পতিবার দুপুরে গুলশান ২ নম্বর এলাকায় এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে নিম্নমানের ও অনুমোদনহীন প্লাস্টিক হেলমেট বর্জন ও ভাঙার কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত ছিল।

হেলমেটের অপকারিতা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি

ট্রাফিক পুলিশের মতে, মোটরসাইকেলের অনেক চালক ও আরোহী ট্রাফিক আইন মেনে চলার চেয়ে জরিমানা এড়ানোর উদ্দেশ্যে হালকা ও নিম্নমানের হেলমেট ব্যবহার করছেন। বাস্তবে, এই 'ভুয়া' হেলমেটগুলো মাথাকে কার্যকর সুরক্ষা দেওয়ার পরিবর্তে দুর্ঘটনার সময় ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। ডিএমপির ট্রাফিক গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মিজানুর রহমান উল্লেখ করেন, 'বাজারে প্রচলিত কমদামি প্লাস্টিকের হেলমেটগুলো দুর্ঘটনার সময় সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়। জীবন রক্ষায় চালক ও আরোহীদের অবশ্যই বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) অনুমোদিত মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার করতে হবে।'

কর্মসূচির বিস্তারিত বিবরণ

কর্মসূচি চলাকালে, গুলশান ২ নম্বর এলাকার সংলগ্ন ফিডার রোডে ট্রাফিক কর্মকর্তারা মোটরসাইকেল থামিয়ে চালকদের নিম্নমানের হেলমেটের অপকারিতা সম্পর্কে ব্রিফিং প্রদান করেন। এরপর, চালকরা স্বেচ্ছায় তাদের অনিরাপদ হেলমেটগুলো ভেঙে ফেলেন এবং ভবিষ্যতে মানসম্মত হেলমেট ব্যবহারের প্রতিশ্রুতি দেন। এই কার্যক্রমটি শুধুমাত্র একটি প্রতীকী উদ্যোগ নয়, বরং নিরাপদ সড়ক গড়ার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে। ট্রাফিক কর্মকর্তারা মনে করেন, নিজের জীবনের মূল্য বুঝে সঠিক হেলমেট বেছে নেওয়া এখন সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ভবিষ্যত পরিকল্পনা ও বার্তা

ট্রাফিক গুলশান বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। তারা জোর দিয়ে বলেন, আইন মানা কেবল জরিমানা এড়ানোর জন্য নয়, বরং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য। এই উদ্যোগটি শহরের অন্যান্য এলাকায়ও সম্প্রসারিত হতে পারে, যাতে সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাস পায় এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি পায়।