র‍্যাবের অভিযানে খুলনায় দুই সশস্ত্র সন্দেহভাজন অপরাধী আটক, হত্যা ও চাঁদাবাজির মামলা
খুলনায় র‍্যাবের অভিযানে দুই সশস্ত্র অপরাধী আটক

র‍্যাবের অভিযানে খুলনায় দুই সশস্ত্র সন্দেহভাজন অপরাধী আটক

র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) সদস্যরা খুলনা সিটিতে পৃথক অভিযান চালিয়ে দুই সশস্ত্র সন্দেহভাজন অপরাধীকে আটক করেছেন, যাদের মধ্যে একজন তালিকাভুক্ত অপরাধীও রয়েছেন। বুধবার সকালে র‍্যাব-৬ থেকে জারি করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

আটকদের পরিচয় ও অভিযানের বিবরণ

আটককৃতদের শনাক্ত করা হয়েছে বাপ্পি মুন্সি (৩০) এবং তার সহযোগী গিয়াস খলিফা (৩০) হিসেবে। বাপ্পি মুন্সি মূসা মুন্সির পুত্র এবং গিয়াস খলিফা আলম খলিফার সন্তান। উভয়েই খানজাহান আলী থানার অন্তর্গত জব্দীপুর এলাকার বাসিন্দা।

র‍্যাব-৬ এর একটি বিশেষ অপারেশনাল টিম গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বিকাল প্রায় ৩টার দিকে জব্দীপুর এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে এবং সেখান থেকে তাদের আটক করে। অভিযানটি সুনির্দিষ্ট তথ্যের আলোকে পরিচালিত হয়েছে বলে র‍্যাব সূত্রে জানা গেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আটকদের বিরুদ্ধে মামলার তালিকা

র‍্যাব সূত্র অনুযায়ী, বাপ্পি মুন্সি খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অধীন দৌলতপুর, খানজাহান আলী ও খালিশপুরসহ বিভিন্ন থানায় ন্যূনতম নয়টি মামলার আসামি। এই মামলাগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • দুইটি হত্যা মামলা
  • দুইটি চাঁদাবাজির মামলা
  • হত্যার চেষ্টা, মাদক, মারধর এবং পুলিশ কর্মকর্তাদের ওপর হামলার মতো অন্যান্য মামলা

অন্যদিকে, গিয়াস খলিফা দৌলতপুর থানায় দায়েরকৃত একটি হত্যা মামলার আসামি এবং তিনিও তালিকাভুক্ত অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত।

স্থানীয় চরমপন্থী গ্রুপের সাথে সংযোগ

র‍্যাব কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আটককৃত এই দুই ব্যক্তি স্থানীয়ভাবে পরিচিত একটি চরমপন্থী গ্রুপ “হুমা গ্রুপ” এর সাথে যুক্ত বলে অভিযোগ রয়েছে। এই গ্রুপটি এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে নজরদারিতে রাখা হয়েছিল।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আইনগত ব্যবস্থা

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, আটককৃতদের পরে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চের (ডিবি) কাছে আইনগত ব্যবস্থার জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে। ডিবি এখন তাদের বিরুদ্ধে আরও তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

র‍্যাবের এই অভিযানটি এলাকায় সন্ত্রাস ও অপরাধ দমনে একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে অপরাধ প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।