ঢাকায় ট্রাফিক অভিযানে ১২৬৬ মামলা, ডিএমপির কঠোর পদক্ষেপ
ঢাকায় ট্রাফিক অভিযানে ১২৬৬ মামলা

ঢাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে ডিএমপির ব্যাপক অভিযান

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান চালিয়ে ১২৬৬টি মামলা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ। শনিবার (২৮ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে পরিচালিত এই অভিযানে এসব মামলা করা হয়েছে বলে ডিএমপি মিডিয়া নিশ্চিত করেছে।

বিভাগভিত্তিক মামলার বিস্তারিত চিত্র

ডিএমপির ট্রাফিক সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিভাগভিত্তিক মামলার চিত্র নিম্নরূপ:

  • ট্রাফিক-রমনা বিভাগ: দুটি বাস, দুটি কাভার্ডভ্যান, ছয়টি সিএনজি ও ১৪টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪৪টি মামলা হয়েছে।
  • ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগ: ১৫টি বাস, পাঁচটি ট্রাক, একটি কাভার্ডভ্যান, ২৮টি সিএনজি ও ৯৭টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৬৪টি মামলা হয়েছে।
  • ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগ: ১০টি বাস, তিনটি ট্রাক, পাঁচটি কাভার্ডভ্যান, ১৬টি সিএনজি ও ২০টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৬৯টি মামলা হয়েছে।
  • ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগ: ২৯টি বাস, ১১টি ট্রাক, চারটি কাভার্ডভ্যান, সাতটি সিএনজি ও পাঁচটি মোটরসাইকেলসহ মোট ৬৮টি মামলা হয়েছে।
  • ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগ: তিনটি বাস, দুইটি কাভার্ডভ্যান, ছয়টি সিএনজি ও ৩১টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৭৬টি মামলা হয়েছে।
  • ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগ: ১২টি বাস, ১০টি ট্রাক, পাঁচটি কাভার্ডভ্যান, ৪২টি সিএনজি ও ১০৫টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২০৯টি মামলা হয়েছে।
  • ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগ: ২৪টি বাস, সাতটি ট্রাক, তিনটি কাভার্ডভ্যান, ৩৭টি সিএনজি ও ৯৮টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২২১টি মামলা হয়েছে।
  • ট্রাফিক-গুলশান বিভাগ: ৪৪টি বাস, পাঁচটি ট্রাক, ২০টি কাভার্ডভ্যান, ৪৯টি সিএনজি ও ২০৯টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪১৫টি মামলা হয়েছে।

অতিরিক্ত ব্যবস্থা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

এছাড়াও, অভিযানকালে মোট ৩৯২টি গাড়ি ডাম্পিং ও ৬৯টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে। ঢাকা মহানগরে ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে শহরের যানজট ও দুর্ঘটনা কমানোর লক্ষ্যে কঠোর নজরদারি বজায় রাখা হচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ডিএমপি সূত্রে জানা গেছে, ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এই প্রচেষ্টা জোরদার করা হবে। নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধি ও আইন মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে যাতে রাজধানীর রাস্তায় নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় থাকে।