নীলফামারীর জলঢাকায় নিখোঁজ শিক্ষার্থীর লাশ ধানখেতে উদ্ধার
নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় নিখোঁজের একদিন পর এক শিক্ষার্থীর লাশ ধানখেত থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে স্থানীয়রা ধানখেতে লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে থানা পুলিশ।
ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ
উদ্ধারকৃত লাশটি নিখোঁজ শিক্ষার্থী মমিনুর রহমানের (১৩) বলে শনাক্ত করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা। মমিনুর রহমান জলঢাকা উপজেলার বগুলাগাড়ী ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে এবং বগুলাগাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র ছিল।
পরিবারের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকালে মমিনুর রহমান তার বাবার ব্যাটারিচালিত ভ্যান নিয়ে জলঢাকার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর থেকে সে আর বাড়ি ফেরেনি। শনিবার সকালে লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে শনাক্ত করে।
পুলিশের তদন্ত ও আইনগত পদক্ষেপ
জলঢাকা থানার ওসি মো. নাজমুল আলম জানান, এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের আইনগত প্রক্রিয়া চলছে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারী মর্গে পাঠানো হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ঘটনাটি স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে এবং পুলিশ তদন্ত জোরদার করেছে।
লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে উপজেলার কাঁঠালী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের হামিদুল মেম্বারের বাড়ির পাশের একটি ধানখেত থেকে। স্থানীয় বাসিন্দারা ধানখেতে লাশ দেখতে পেয়ে দ্রুত পুলিশকে সতর্ক করে, যার ফলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়া ও প্রভাব
এই মর্মান্তিক ঘটনা জলঢাকা এলাকার জনগণের মধ্যে গভীর শোক ও উদ্বেগ ছড়িয়ে দিয়েছে। স্থানীয়রা শিক্ষার্থীর অকাল মৃত্যুতে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন এবং দ্রুত বিচার দাবি করছেন। পুলিশ আশ্বাস দিয়েছে যে, তারা যথাযথ তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনবে।
এ ধরনের ঘটনা শিশু নিরাপত্তা ও সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে, যা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।



