কক্সবাজারে উখিয়া সীমান্তে ১২ কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার, বিজিবির অভিযানে চোরাকারবারিরা পলায়ন
উখিয়া সীমান্তে ১২ কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার, বিজিবির অভিযান

কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্তে বিপুল ইয়াবা উদ্ধার, বিজিবির অভিযানে চোরাকারবারিরা পলায়ন

কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্তে একটি বড় ধরনের অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। উদ্ধার করা ইয়াবার পরিমাণ ৪ লাখ ২০ হাজার পিস, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১২ কোটি ৬০ লাখ টাকা বলে কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।

অভিযানের বিস্তারিত বিবরণ

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ভোররাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উখিয়া ব্যাটালিয়নের (৬৪ বিজিবি) একটি বিশেষ টহল দল এ অভিযান পরিচালনা করে।

টহল দলটি সীমান্ত পিলার বিআরএম-১৭ এর প্রায় ২০০ গজ উত্তর-পশ্চিমে এবং জীম্বংখালী বিওপি থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে সাকেরের ঘের এলাকায় কৌশলগত অবস্থান নেয়। এ সময় মিয়ানমার দিক থেকে তিনজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখে বিজিবি সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ জানায়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পরিস্থিতি বুঝতে পেরে চোরাকারবারিরা সঙ্গে থাকা বস্তা ফেলে দ্রুত পালিয়ে যায়। তারা পাশের ঘেরের পানিতে ঝাঁপ দিয়ে সাঁতরে মিয়ানমারের দিকে চলে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে একটি প্লাস্টিকের বস্তার ভেতরে স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো খাকি রঙের বায়ুরোধী ৪২টি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি প্যাকেট খুলে গণনা করে মোট ৪ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়।

কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ও পরবর্তী পদক্ষেপ

এ বিষয়ে মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। চোরাকারবারিরা পালিয়ে গেলেও তাদের শনাক্তে কাজ চলছে। তিনি আরও জানান, পলাতক মাদক কারবারিদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

উদ্ধার করা ইয়াবা আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে। এই ঘটনায় সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

বিজিবির এই অভিযান মাদক পাচার রোধে তাদের সক্রিয় ভূমিকার প্রতিফলন ঘটাচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে কক্সবাজার সীমান্তে মাদক পাচারের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে।