হাতীবান্ধায় পুলিশকে ধাক্কা দিয়ে পালানো আসামি মনিরুজ্জামান আবারও গ্রেপ্তার
হাতীবান্ধায় পালানো আসামি মনিরুজ্জামান আবারও গ্রেপ্তার

হাতীবান্ধায় পুলিশকে ধাক্কা দিয়ে পালানো আসামি মনিরুজ্জামান আবারও গ্রেপ্তার

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় পুলিশকে ধাক্কা দিয়ে হাতকড়া পরা অবস্থায় পালিয়ে যাওয়া আসামি মনিরুজ্জামান ওরফে মনিরুল ইসলাম (২৭) আবারও গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে উপজেলার সিঙ্গীমারী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড এলাকা থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

চুরির ঘটনা ও প্রাথমিক আটক

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার উপজেলার সিঙ্গীমারী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ গড্ডিমারী এলাকার বাসিন্দা ফারুক হোসেনের বাড়িতে আসবাবপত্র চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই-বাছাই করে চোরকে শনাক্ত করে।

শনাক্তের পর ওইদিন সন্ধ্যায় অভিযান চালিয়ে মনিরুজ্জামানকে আটক করে হাতীবান্ধা থানা পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে চুরির কথা স্বীকার করে এবং তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চোরাই মাল উদ্ধারের জন্য তাকে নিয়ে অভিযানে বের হয় পুলিশ।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পালিয়ে যাওয়া ও পুনরায় গ্রেপ্তার

কিন্তু পথে সুযোগ বুঝে পুলিশ সদস্যদের ধাক্কা দিয়ে হাতকড়া পরা অবস্থাতেই দৌড়ে পালিয়ে যায় সে। আসামি পালিয়ে যাওয়ার পরপরই তাকে ধরতে অভিযান শুরু করে পুলিশ। রাতেই উপজেলার বিভিন্নস্থানে একাধিক দল বিভক্ত হয়ে অভিযান চালানো হয়।

হাতীবান্ধা থানার ওসি রমজান আলী বলেন, "সিসিটিভি ফুটেজ দেখে চুরির ঘটনায় জড়িত আসামিকে আটক করা হয়েছিল। কিন্তু তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চোরাই পণ্য উদ্ধারে যাওয়ার সময় সে হাতকড়া পরা অবস্থায় পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ রাতভর অভিযান চালিয়ে সকালে তাকে আবারও গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।"

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আসামির পরিচয় ও আইনি প্রক্রিয়া

গ্রেপ্তারকৃত মনিরুজ্জামান ওরফে মনিরুল ইসলাম উপজেলার দক্ষিণ গড্ডিমারী এলাকার বাসিন্দা। ওসি রমজান আলী আরও জানান, আসামির বিরুদ্ধে চুরি এবং পুলিশ হেফাজত থেকে পালানোর অপরাধে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে।

এই ঘটনায় পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপ এবং রাতভর অভিযানের মাধ্যমে আসামিকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা স্থানীয় জনগণের মধ্যে নিরাপত্তা বোধ জাগিয়েছে বলে জানা গেছে।