যশোরে র‍্যাবের অভিযানে ২ যুবক গ্রেফতার, ১৩ ককটেল ও ওয়ানশুটার গান জব্দ
যশোরে র‍্যাবের অভিযানে ২ যুবক গ্রেফতার, ১৩ ককটেল জব্দ

যশোরে র‍্যাবের অভিযানে দুই যুবক গ্রেফতার, ১৩ ককটেল বোমা ও ওয়ানশুটার গান জব্দ

যশোর জেলার অভয়নগর ও কোতয়ালি থানা এলাকায় র‍্যাব-৬-এর বিশেষ অভিযানে দুই যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে মোট ১৩টি ককটেল বোমা ও একটি ওয়ানশুটার গান জব্দ করা হয়েছে। বুধবার দুপুর ও বিকালে এই অভিযানগুলো চালানো হয়, যা এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

অভয়নগর থানা এলাকায় গ্রেফতার ও ককটেল বোমা জব্দ

বুধবার বিকাল ৩টার দিকে র‍্যাব-৬, সিপিসি-৩, যশোর ক্যাম্পের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভয়নগর থানাধীন ইছামতী এলাকায় বিশেষ অভিযান চালায়। এই অভিযানে কালো পলিথিনে মোড়ানো ১২টি ককটেল বোমাসহ আজিজুল শেখ ওরফে আজিমুল শেখ (২৭) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়। তিনি অভয়নগর থানার ইছামতি গ্রামের সভারত শেখের ছেলে বলে পরিচিত।

গ্রেফতারের পর আসামির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। জব্দকৃত আলামতসহ তাকে অভয়নগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। র‍্যাব কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কোতয়ালি থানা এলাকায় আরেক যুবক গ্রেফতার

এর আগে বুধবার দুপুরে যশোর কোতয়ালি মডেল থানাধীন বেজপাড়া টিবি ক্লিনিক এলাকা থেকে একটি ওয়ানশুটার গান ও দুটি ককটেল বোমাসহ জাকারিয়া ইসলাম রনি (২২) নামে আরেক যুবককে গ্রেফতার করে র‍্যাব। এই অভিযানটিও র‍্যাব-৬-এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়, যা এলাকায় অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার রোধে কার্যকরী ভূমিকা পালন করছে।

র‍্যাবের ভূমিকা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

র‍্যাব-৬ সিপিসি-৩ যশোরের কোম্পানি কমান্ডার মেজর এ টি এম ফজলে রাব্বী প্রিন্স এই অভিযানের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, র‍্যাব দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রাখবে।

র‍্যাবের প্রধান লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • নিয়মিত মামলার আসামি, সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত অপরাধীদের গ্রেফতার
  • অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিদের আইনের আওতায় আনা
  • চাঞ্চল্যকর হত্যা ও ধর্ষণের মতো অপরাধে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা

র‍্যাব কর্তৃপক্ষের মতে, এই ধরনের অভিযানগুলো সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। তারা ভবিষ্যতেও অনুরূপ কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন, যাতে অপরাধ প্রবণতা হ্রাস পায় এবং নাগরিকরা নিরাপদে বসবাস করতে পারেন।