জাতীয় শহীদ সেনা দিবস: যথাযথ মর্যাদায় পালিত হলো ১৭তম শাহাদত বার্ষিকী
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শহীদ সেনাসদস্যদের ১৭তম শাহাদত বার্ষিকী স্মরণে বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়েছে জাতীয় শহীদ সেনা দিবস। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিজিবির (বিডিআর) সদর দফতর পিলখানায় সংঘটিত বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে শহীদ হওয়া সেনাসদস্যদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে এই দিবসটি উদযাপিত হয়।
শ্রদ্ধা নিবেদনে অংশ নিলেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) জানায়, দিনটি উপলক্ষে ঢাকার বনানীর সামরিক কবরস্থানে শহীদদের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শাহাদত বরণকারী সেনাসদস্যদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধানরা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব, বিজিবির মহাপরিচালক এবং শহীদ পরিবারের সদস্যরা।
নীরবতা পালন ও স্যালুট প্রদান
শহীদদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং কর্মরত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা স্যালুট দেন। পরে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়, যা দিবসটির মর্মার্থকে আরও গভীরভাবে তুলে ধরে।
ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্মরণ
উল্লেখ্য, দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মসজিদগুলোতে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে কোরআন খতম, মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এই ধর্মীয় আয়োজনগুলো শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা এবং তাদের অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।
জাতীয় শহীদ সেনা দিবস পালনের মাধ্যমে দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমের প্রতি জাতির কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি মর্মস্পর্শী অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
