কে সাংবাদিক আর কে ফার্মাসিস্ট? ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের বিস্ময় প্রকাশ
এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ও সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, কে সাংবাদিক আর কে ফার্মাসিস্ট তা বোঝা মুশকিল হয়ে পড়েছে। এই বিতর্ক এখনো রয়ে গেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানের প্রেক্ষাপট
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর ইআরএফ কার্যালয়ে ‘নাগরিক প্ল্যাটফর্ম ও ইআরএফ-এর সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এবং বাংলাদেশ রিফরম ট্র্যাকার ও গণমাধ্যমের প্রাসঙ্গিকতা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য তার বক্তব্য রাখেন। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের উদাহরণ
ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য তার বক্তব্যে একটি স্পষ্ট উদাহরণ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘‘আমার এলাকার সাংবাদিক নাকি ফার্মাসিস্ট বোঝা মুশকিল হয়ে যায়। ওষুধের দোকান চালান, সময় পেলে কোচিংও করান। তিনি আবার সাংবাদিকও পরিচয় দেন।’’ এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি সাংবাদিকতা পেশার পরিচয় ও ভূমিকা নিয়ে চলমান অস্পষ্টতার দিকে ইঙ্গিত করেন।
সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান
সাংবাদিকদের উদ্দেশে ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, ‘‘আপনারা দলীয় হবেন না, মূল্যবোধের ভিত্তিতে কথা বলবেন।’’ তিনি আরো উল্লেখ করেন যে, কথা বলার মাধ্যম হিসেবে গবেষণা, গণমাধ্যম, সংবাদপত্র, নাটক, সংস্কৃতি ইত্যাদি বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের এই বক্তব্য সাংবাদিকতা পেশার নৈতিকতা ও পেশাদারিত্বের উপর আলোকপাত করে। তিনি মনে করেন, সাংবাদিকদের উচিত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করা এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সহায়তা করা। এই অনুষ্ঠানে তার মন্তব্যগুলো গণমাধ্যম ও সমাজের বিভিন্ন স্তরে আলোচনার সূত্রপাত ঘটাতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।



