ইরানে সামরিক স্থাপনা হামলার চেষ্টার অভিযোগে আরও একজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
ইরানে সামরিক স্থাপনা হামলার চেষ্টায় আরও একজনের মৃত্যুদণ্ড

ইরানে সামরিক স্থাপনা হামলার চেষ্টার অভিযোগে আরও একজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

ইরানে একটি সামরিক স্থাপনায় হামলার চেষ্টার অভিযোগে আরও এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) দেশটির বিচার বিভাগের বরাত দিয়ে আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ‘ইসনা’ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম আলী ফাহিম।

ধারাবাহিক মৃত্যুদণ্ডের ঘটনা

এর আগে গতকাল একই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আরও দুইজনের ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছিল। প্রতিবেদনে জানানো হয়, সুপ্রিম কোর্ট দণ্ডাদেশ বহাল রাখার পর আলী ফাহিমকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝোলানো হয়। গত জানুয়ারিতে একটি সামরিক স্থাপনায় অনুপ্রবেশ চেষ্টার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তীব্র নিন্দা

এদিকে, এই ধারাবাহিক মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা। তারা এই বিচার প্রক্রিয়াকে ‘অমানবিক’ বলে অভিহিত করেছে। মানবাধিকার কর্মীদের দাবি, অনেক ক্ষেত্রে অভিযুক্তদের কাছ থেকে নির্যাতনের মাধ্যমে স্বীকারোক্তি আদায় করা হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

উত্তাল রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

উল্লেখ্য, চলতি বছরের জানুয়ারিতে ইরানে অর্থনৈতিক সংকটকে কেন্দ্র করে যে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল, তা পরবর্তীতে সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এটিই ছিল দেশটির অন্যতম রক্তক্ষয়ী সংঘাত। সরকারি দমন-পীড়নে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও সংস্থা দাবি করে আসছে। সেই উত্তাল পরিস্থিতির মধ্যেই সামরিক স্থাপনায় হামলার চেষ্টার এই ঘটনাটি ঘটেছিল।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই ঘটনাটি ইরানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও মানবাধিকার পরিস্থিতির উপর নতুন করে আলোকপাত করেছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইরানের বিচার ব্যবস্থা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই মৃত্যুদণ্ডগুলো দেশটির চলমান সংঘাত ও উত্তেজনার প্রতিফলন ঘটাচ্ছে।