খুলনায় বিগত সরকারের সময়ে নিখোঁজ ও নির্যাতিত পরিবারদের মধ্যে চেক বিতরণ
খুলনায় নিখোঁজ ও নির্যাতিত পরিবারদের চেক বিতরণ

খুলনায় বিগত সরকারের সময়ে নিখোঁজ ও নির্যাতিত পরিবারদের মধ্যে চেক বিতরণ

খুলনা জেলা পরিষদের আয়োজনে শনিবার এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিগত সরকারের সময়ে নিখোঁজ, হত্যা ও অমানবিক নির্যাতনের শিকার পরিবারগুলোর মধ্যে আর্থিক সহায়তা হিসেবে চেক বিতরণ করা হয়েছে। খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও হুইপ রকিবুল ইসলাম বাকুল সরাসরি উপকারভোগীদের হাতে এই চেকগুলো তুলে দেন।

৭৩টি পরিবার পেয়েছে ৭.৩৬ লাখ টাকা

মোট ৭.৩৬ লাখ টাকার চেক খুলনা সিটি ও জেলার ৭৩টি পরিবারের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে ২৩টি শহীদ পরিবার এবং ৫০টি পরিবার যাদের সদস্যরা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, আহত হয়েছেন বা অতীতের নির্যাতনের কারণে বর্তমানে বিভিন্ন রোগে ভুগছেন।

হুইপের বক্তব্য: 'নির্যাতনের সংস্কৃতি গড়ে তোলা হয়েছিল'

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে হুইপ রকিবুল ইসলাম বাকুল দাবি করেন যে, গত ১৭ বছরে দেশজুড়ে নিখোঁজ হওয়া ও বিচারবহির্ভূত হত্যার একটি সংস্কৃতি গড়ে তোলা হয়েছিল, যার একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল ভিন্নমত দমন করা। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, ক্ষমতায় থাকার জন্য বিগত সরকার সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করেছে এবং জেলা পরিষদকে দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করেছিল।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তিনি বলেন, 'বর্তমানে পরিষদ আক্রান্ত নাগরিকদের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের মর্যাদা ফিরে পাচ্ছে।'

জেলা পরিষদের ভূমিকা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

খুলনা জেলা পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি স্থানীয় পর্যায়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার ব্যক্তিদের সহায়তা প্রদানের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, ভবিষ্যতে এই ধরনের আরও সহায়তা কর্মসূচি গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে অতীতের নির্যাতনের শিকার পরিবারগুলো সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে পুনর্বাসিত হতে পারে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই আর্থিক সহায়তা শুধুমাত্র আর্থিক ক্ষতিপূরণই নয়, বরং রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে স্বীকৃতি ও সমর্থনের একটি প্রতীক হিসেবে কাজ করছে বলে মনে করছেন স্থানীয় বিশ্লেষকরা।