ঝিনাইদহে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে ৫ বছরের শিশু তাবাসসুমকে হত্যা: আবু তাহের আটক
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে এক মর্মান্তিক ঘটনায় ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে ৫ বছরের শিশু তাবাসসুমকে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ প্রধান অভিযুক্ত আবু তাহেরকে আটক করেছে এবং হত্যার সরঞ্জাম হিসেবে ব্যবহৃত লুঙ্গি ও শিশুর স্যান্ডেল উদ্ধার করেছে।
ঘটনার বিবরণ
বৃহস্পতিবার বিকালে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর তাবাসসুমের বস্তাবন্দি লাশ একটি বিদ্যালয়ের সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার করা হয়। নিহত শিশুর পিতা নজরুল ইসলাম রাতে কালীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তদন্ত ও গ্রেফতার
শুক্রবার দুপুরে কালীগঞ্জ থানায় সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে লাশ উদ্ধারের পর তদন্ত শুরু করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে যুবক প্রতিবেশী আবু তাহেরের অবস্থান শনাক্ত করে কুষ্টিয়া থেকে তাকে আটক করা হয়। তার স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে রায়গ্রাম এলাকার চিত্রা নদীর তীর থেকে শিশুর স্যান্ডেল ও নদীর ভিতর থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত লুঙ্গি উদ্ধার করা হয়।
প্রতিবাদ ও দাবি
এদিকে, হত্যাকারীর ফাঁসির দাবিতে নিহত শিশুর গ্রামের বাড়ি মহেশপুর উপজেলার ভৈরবা বাজারে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী অংশ নিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
পুলিশের বক্তব্য
ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মাহফুজ আফজাল বলেন, "শিশু তাবাসসুমকে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়েই তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে অভিযুক্ত আবু তাহের। আমরা শিশুটির পিতার দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়েছি।"
এই ঘটনা সমাজে শিশু নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে এবং দ্রুত বিচার প্রক্রিয়ার দাবি জোরদার হচ্ছে।
