অস্ট্রেলিয়ার আইএস শিবির থেকে ফেরা নাগরিকের উপর দুই বছরের প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা
অস্ট্রেলিয়ার আইএস শিবির থেকে ফেরা নাগরিকের প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা

অস্ট্রেলিয়ার আইএস শিবির থেকে ফেরা নাগরিকের উপর দুই বছরের প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা

অস্ট্রেলিয়া সরকার সিরিয়ার একটি আইএস শিবির থেকে দেশে ফেরার চেষ্টা করা এক নাগরিককে সর্বোচ্চ দুই বছরের জন্য দেশে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্তটি নিরাপত্তা সংস্থার পরামর্শের ভিত্তিতে গৃহীত হয়েছে। তবে একই দলে থাকা বাকি ৩৩ জনের ক্ষেত্রে এমন নিষেধাজ্ঞার আইনি ভিত্তি পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি এই খবরটি প্রকাশ করেছে।

৩৪ জন অস্ট্রেলীয় নারী ও শিশুর প্রত্যাবর্তন প্রচেষ্টা

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ৩৪ জন অস্ট্রেলীয় নারী ও শিশু সম্প্রতি সিরিয়ার একটি শিবির থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে ফেরার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু আইনি জটিলতার কারণ দেখিয়ে সিরীয় কর্তৃপক্ষ তাদের ফিরিয়ে দিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তারা আইএস যোদ্ধাদের স্ত্রী, বিধবা স্ত্রী ও সন্তান। এদের মধ্যে ২৩ জন শিশু রয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

সরকারের অবস্থান ও আইনি বিতর্ক

অস্ট্রেলিয়ার সরকার আগেই জানিয়েছে, তারা এই দলকে দেশে ফেরাতে সহায়তা দেবে না। প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ বলেছেন, এসব পরিবার স্বেচ্ছায় একটি সহিংস মতাদর্শের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল। তবে আইনি বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, নাগরিকদের দেশে ফেরার অধিকার নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। এই বিষয়ে একটি আইনি বিতর্ক তৈরি হয়েছে, যেখানে মানবাধিকার সংস্থাগুলো শিশুদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছে।

আল রোজ ক্যাম্পের পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা উদ্বেগ

উত্তর সিরিয়ার আল রোজ ক্যাম্পে ৪০টির বেশি দেশের দুই হাজারের বেশি মানুষ রয়েছে, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। বিরোধী দলীয় সিনেটর জনো ডুনিয়াম এসব নাগরিকের প্রত্যাবর্তন নিয়ে নিরাপত্তা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা বলছে, শিবিরগুলোতে থাকা শিশুদের ভবিষ্যৎ নিয়ে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে, এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দ্রুত পদক্ষেপ প্রয়োজন।