কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে তৃতীয় শ্রেণির এক শিশু শিক্ষার্থীকে (৭) যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে জিয়াউল হক (৫৫) নামের স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। রোববার সন্ধ্যার দিকে উপজেলার হেসাখাল ইউনিয়নের ওমরগঞ্জ বাজারে এই ঘটনা ঘটে।
ঘটনার বিবরণ
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রোববার সন্ধ্যায় ওমরগঞ্জ বাজারে মশার কোয়েল নিতে আসেন ওই শিশুটি। এ সময় অভিযুক্ত জিয়াউল হকের দোকানে গেলে সে শিশুটিকে ফুসলিয়ে দোকানের ভেতর নিয়ে যায় এবং নিজের মোবাইল ফোন থেকে তাকে বিভিন্ন অশ্লীল ভিডিও দেখায়। এরপর তাকে যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করে।
এর আগেও জিয়াউলের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ থাকায় তাকে নজরে রাখেন স্থানীয়রা। টের পেয়ে স্থানীয়রা তাকে গণপিটুনি দেওয়ার পর হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হওয়ায় সে পালিয়ে যায়।
ভিকটিম ও অভিযুক্ত পরিচিতি
নির্যাতনের শিকার ওই শিশুটি স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে। অভিযুক্ত জিয়াউল উপজেলার হেসাখাল ইউনিয়নের পাটোয়ার কারী বাড়ির আব্দুল মন্নানের ছেলে। ঘটনার পর স্থানীয়রা তাকে গণধোলাই দিলেও বর্তমানে সে পলাতক রয়েছে।
পরিবারের অবস্থান
ভিকটিম শিশুটির পরিবার আত্মসম্মানে কোনো কথা বলতে রাজি হয়নি।
পুলিশের বক্তব্য
নাঙ্গলকোট থানার ওসি আরিফুর রহমান বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। অভিযুক্ত পালিয়ে যাওয়ায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি। ভিকটিম পরিবার লিখিত অভিযোগ করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



