ফরিদপুর শহরের রথখোলা যৌনপল্লীতে এক তরুণীকে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২২ মে) এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ঘটনার বিবরণ
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী মোছা. জনি (১৯) বগুড়া জেলার শারিয়াকান্দি উপজেলার কাসাহাট এলাকার বাসিন্দা। তিনি ঢাকার ধামরাই এলাকায় মায়ের সঙ্গে থেকে একটি গার্মেন্টসে চাকরি করতেন। অভিযুক্ত মনির শেখ (৩০), আলম ফকির (২০) ও মুন্নি (২০) ধামরাই এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে তার সঙ্গে পরিচিত হন। পরে বিয়ে ও ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তাকে ফরিদপুরে নিয়ে আসে।
গত ১৪ মে অভিযুক্তরা জনিকে ফরিদপুর শহরের শিবরামপুর এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় রাখে। এরপর গত ২১ মে সকালে তাকে কোতোয়ালি থানাধীন রথখোলা পতিতাপল্লীতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর জনি বুঝতে পারেন তাকে পতিতালয়ে বিক্রি করার চেষ্টা চলছে। তিনি ভেতরে যেতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তরা জোরপূর্বক তাকে সেখানে নেওয়ার চেষ্টা করেন।
উদ্ধার ও গ্রেফতার
একপর্যায়ে তিনি চিৎকার করে পালিয়ে পতিতাপল্লীর সামনে একটি দোকানে আশ্রয় নেন। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি জানতে পেরে তিন অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। কোতোয়ালি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার এবং তিনজনকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় তানিয়া ও দুখু নামে আরও দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। তারা বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক মাহমুদুল হাসান বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। তিন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।



