ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্যে বিতর্ক, বিক্ষোভ
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্যে বিতর্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি নিয়ে মন্তব্য করায় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিকে ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করে তার মন্তব্যের বিরোধিতা করেছেন প্রতিবাদকারীরা। ইসরায়েলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল এ খবর জানিয়েছে।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরাঘচির মন্তব্যের পর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের বিরোধী এবং যেকোনও চুক্তি নিয়ে সন্দিহান কট্টরপন্থী গোষ্ঠীগুলোর সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। ফার্স নিউজ এজেন্সির প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, শনিবার মাশহাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভবনের সামনে বিক্ষোভকারীরা জড়ো হয়েছেন। কালো চাদর পরিহিত নারীদের লাল ও কালো পতাকা নাড়াতে দেখা যায়। এ সময় তারা ‘অপমানজনক আরাঘচির মৃত্যু হোক, অনুপ্রবেশকারীর মৃত্যু হোক’ এমন স্লোগান দেন।

এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আরও কিছু ভিডিওতে তেহরানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভবনের সামনে বিক্ষোভকারীদের ‘আরাঘচি পদত্যাগ করো’ এবং ‘ঘালিবাফ পদত্যাগ করো’ স্লোগান দিতে দেখা গেছে। শুক্রবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে কথা বলেন আরাঘচি। তিনি বলেন, আলোচনায় থাকা চুক্তির অংশ হিসেবে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করা হবে। এসময় তিনি হরমুজ প্রণালিকে ইরানের ‘প্রধান প্রতিরোধমূলক উপকরণগুলোর’ একটি হিসেবে উল্লেখ করেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

চূড়ান্ত কোনও চুক্তি হয়েছে বলে তিনি ঘোষণা না দিলেও তার বক্তব্যে কূটনৈতিক যোগাযোগের পথ এখনও বিবেচনায় রয়েছে বলে ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তবে সম্ভাব্য এই চুক্তি ইরানের কট্টরপন্থী মহলের বিরোধিতার মুখে পড়েছে। সমালোচকদের দাবি, এ ধরনের চুক্তি ইরানের স্বার্থ রক্ষা করবে না এবং হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে তেহরানের প্রভাব কমিয়ে দিতে পারে। তারা আলোচনায় ইরানি প্রতিনিধিদের অতিরিক্ত ছাড় দেওয়ার অভিযোগও তুলেছেন।